নিজ গ্রামে মায়ের কবরে সমাহিত আজিজুর রহমান

‘ছুটির ঘণ্টা’সহ অসংখ্য দর্শকনন্দিত ছবির পরিচালক আজিজুর রহমানকে মায়ের কবরে সমাহিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এই পরিচালকের মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে বগুড়ার সান্তাহার পৌঁছায়। সান্তাহার রেলওয়ে ইনস্টিটিউট মাঠে যখন হেলিকপ্টার পৌঁছায়, তখন ঘড়ির কাঁটায় বেলা ১১টা। হেলিকপ্টার থেকে মরদেহ নামিয়ে নেওয়া হয় সান্তাহার ঈদগা মাঠে। সেখানে তার শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ কলসা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাকে সমাহিত করা হয়।

এর আগে আজিজুর রহমানের মরদেহ ঢাকায় আনার পর ২০ মার্চ সন্ধ্যায় তাকে নেওয়া হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বিএফডিসিতে। অশ্রু আর ফুলে তাকে শ্রদ্ধাও জানিয়েছে তার সহকর্মী ও বর্তমান প্রজন্মের শিল্পী, নির্মাতা ও কলাকুশলীরা। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় এই কিংবদন্তি পরিচালকের জানাজা। এ সময় ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বে হাজির হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্যরা। ছিলেন বাপ্পারাজ, সাইমন সাদিক, বাপ্পি চৌধুরী, পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, মুশফিকুর রহমান গুলজারসহ অনেকে। ফলে শিল্পী সমিতির নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো এফডিসির আয়োজনে দেখা গেলো বাপ্পারাজকে।

গত ১৫ মার্চ কানাডার একটি হাসপাতালে নির্মাতা আজিজুর রহমান মারা যান। জানা যায়, এখন তার মরদেহ এফডিসি থেকে নিয়ে যাওয়া হবে ধানমন্ডিতে তার বাসভবনে। সেখান থেকে আগামীকাল (২১ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টারে গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সান্তাহারে তাকে নেওয়া হবে। জানাজা শেষে আজিজুর রহমানের নির্ধারণ করে রাখা কবরে তাকে দাফন করা হবে। এটি তার মায়ের কবরস্থান। মায়ের কোলেই শেষ শয্যা যাওয়ার ইচ্ছা রেখে গেছেন তিনি।