টুঙ্গিপাড়ায় স্বাচিপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে সেবা নিলেন ৭২৩৪ জন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের পেশাজীবী চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প থেকে ৭২৩৪ জন রোগী বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাচিপের সপ্তাহব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্পের সমাপনী দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। দুপুর ২টায় পর্যন্ত শেষ দিনে ৭১৯ রোগীকে এ হেলথ ক্যাম্প থেকে বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরামর্শসহ বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

স্বাচিপের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা এমএ আজিজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্বাচিপের ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে সংশ্লিষ্ট সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গোপালগঞ্জের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি বিশেষ করে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত গিমাডাঙ্গা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। গত সাত দিন ধরে তাদের স্কুল আমাদের ফ্রি হেলথ ক্যাম্পে আমরা ব্যবহার করেছি। 

স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা এমএ আজিজ আরো বলেন, গত সাত দিনে ১০টি বুথে ৪৫০ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আগত রোগীদের সেবা দিয়েছেন। বিগত দিনে ডেঙ্গু ও গত দু বছর করোনার মহামারীর সময়ে স্বাচিপের হাজার হাজার নেতাকর্মী জীবন বাজি রেখে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, স্বাপিচের নেতাকর্মীর বিগত দিনের মতো সামনের দিনগুলোতে দেশের মানুষের পাশে কাজ করে যাবে।সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত সকল কর্মসূচি পালন করতে প্রস্তুত রয়েছে স্বাচিপ।

গত শনিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০টায়  স্বাচিপের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা এমএ আজিজের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি হয়ে এ কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও গোপালগঞ্জ- ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজুলুল করিম সেলিম। এদিন বিভিন্ন বিভাগের দেশবরেণ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ৪৯৩ রোগীকে চিকিৎসা পরামর্শ দেন এবং তাদের বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দিনে ৮৮৯ রোগী সেবা নিয়েছেন। তৃতীয় দিনে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ১৬৪৩ রোগী সেবা নিয়েছেন। কর্মসূচির ৪র্থ দিনে ১ হাজার ১৪৮ জন রোগী সেবা নিয়েছেন।  

সপ্তাহব্যাপী চলা এ কর্মসূচির ৫ম দিনে ১ হাজার ২২৫  জন রোগী সেবা নিয়েছেন। ষষ্ঠ দিনে ১ হাজার ১১৮ জন রোগী সেবা নিয়েছেন।