জনপ্রিয় হচ্ছে ডাম্বফোন

আজকাল অনেকে ডাম্বফোনের দিকে ঝুঁকছেন। ডাম্বফোন দিয়ে কল করা, কল রিসিভ করা এবং এসএমএস টেক্সট পাঠানো সম্ভব। বড়জোর এই ফোনে রেডিও শুনতে পারবেন এবং খুবই প্রয়োজনীয় কিছু ছবি তুলতে পারবেন। তবে এই ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ অথবা অ্যাপ ব্যবহার করা যায় না। এই ডিভাইসগুলো মূলত নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে বাজারে আসা প্রথম হ্যান্ডসেটগুলোর মতো। সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান এসইএমরাশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে গুগল সার্চে ডাম্বফোনের খোঁজ ৮৯ শতাংশ বেড়েছে। হিসাবরক্ষণ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েট ২০২১ সালের এক গবেষণায় জানিয়েছে যুক্তরাজ্যে প্রতি ১০ জন মোবাইল ব্যবহারকারীর মধ্যে একজনের হাতে ডাম্বফোন রয়েছে। উএসউইচ ডটকমের মোবাইল বিশেষজ্ঞ আর্নস্ট ডকো জানিয়েছেন, ‘প্রথম মোবাইল ফোন হিসেবে আমাদের অনেকের কাছেই একটি ডাম্বফোন রয়েছে। ফলে এই ক্লাসিক হ্যান্ডসেটগুলো নিয়ে আমরা নস্টালজিক হয়ে পড়ব এটি খুবই স্বাভাবিক।’ তিনি আরও জানান, ২০১৭ সালে নোকিয়ার ৩৩১০ হ্যান্ডসেটটি আবার বাজারে নিয়ে আসা হয়। ২০০০ সালে ফোনটি প্রথম বাজারে এসেছিল। এই ফোনটি সবসময়ই বিক্রির তালিকার শীর্ষে ছিল। ব্যাটারির জীবনকাল ও স্থায়িত্বের দিক থেকে আধুনিক ফোনকে ছাড়িয়ে যাবে এই ডাম্বফোনগুলো।  এতে ব্লুটুথ থেকে হেডফোনে সংযোগ দেওয়া যায়। তবে কোম্পানিটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে তাদের ফোনে কখনোই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ক্লিকবাইট নিউজ, ইমেইল, ইন্টারনেট ব্রাউজার থাকবে না। লাইটফোন জানিয়েছে তাদের হ্যান্ডসেটের বিক্রি অনেক বেড়েছে। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে তাদের ডাম্বফোনের বিক্রি ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। ডাম্বফোন হিসেবে তাদের হ্যান্ডসেটগুলো ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও চাহিদা বাড়ছে। তাদের ডাম্বফোনের দাম ৯৯ ডলার থেকে শুরু হয়। লাইটফোনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা কাইওয়েই ট্যাং বলেছেন, বিস্ময়করভাবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের মূল গ্রাহক হলো ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তরুণরা।