শ্রদ্ধা ও শোকযাত্রার মধ্য দিয়ে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।
শনিবার সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয় হাসান আরিফের মরদেহ। এরপরই শুরু হয় শ্রদ্ধা জানানো।
এ সময় আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, ছাত্রলীগ, ছাত্র মৈত্রী, প্রজন্ম একাত্তর, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, পথনাটক পরিষদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, ডিরেক্টর গিল্টসসহ বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও।
শহীদ মিনারে হাসান আরিফকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, ও নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরে দুপুর ১টার দিকে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে জাতীয় পতাকা শোভিত শোকযাত্রাসহ হাসান আরিফের মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নেওয়া হয়।
সেখানে জানাজা শেষে তার ইচ্ছা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানাটমি বিভাগকে মরদেহ দান করা হবে।
প্রায় চার মাস জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকে গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন আবৃত্তিশিল্পী ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল হাসান আরিফকে। শরীরে অক্সিজেন জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।