ক্রাইস্টচার্চের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া জয়ে সপ্তমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। অপরাজেয় থেকে চ্যাম্পিয়ন হলো অজি মেয়েরা।
এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করেই পাকিস্তানকে হারায় বাংলাদেশ। তবে এক জয় নিয়েই আসর শেষ করতে হয় টাইগ্রেসদের। অবশ্য ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায় বেশ সফল সালমা খাতুন।
বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে নারী বিশ্বকাপের সেরা একাদশে জায়গা করে নিলেন এই অলরাউন্ডার। যেখানে জায়গা হয়নি ভারত-পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড়ের। সর্বোচ্চ চারজন আছেন শিরোপাজয়ী অস্ট্রেলিয়ার। রানার-আপ ইংল্যান্ডের আছেন দু’জন। তিনজন দক্ষিণ আফ্রিকার।
বিশ্বকাপের সেরা একাদশে বোলার হিসেবে জায়গা পেলেন সালমা। পুরো আসরে ২২.৪০ গড় ও ৩.৭৯ ইকোনোমিতে ১০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তার সেরা ফিগার ২৩ রানে ৩ উইকেট। হ্যামিল্টনে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের ঐতিহাসিক ৯ রানের জয়ে ব্যাট হাতে অপরাজিত ১১ রানের পাশাপাশি কৃপণ বোলিংয়ে ২৯ রানে ১ উইকেট নেন এই অফ-ব্রেকার।
এছাড়া গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লো-স্কোরিং ম্যাচে ইনিংসের শুরুতেই অজিদের তিন টপ-অর্ডার অ্যালিসা হিলি, র্যাচেল হেইন্স ও ম্যাগ ল্যানিংকে আউট করে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন দেখান সালমা। তবে আশা জাগিয়েও ম্যাচটিতে হারে টাইগ্রেসরা। আর অজিদের এই তিন মেয়েই জায়গা পেয়েছেন বিশ্বকাপের সেরা একাদশে।
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ: লরা উলভার্ট (দক্ষিণ আফ্রিকা), অ্যালিসা হিলি (অস্ট্রেলিয়া). মেগ ল্যানিং (অধিনায়ক, অস্ট্রেলিয়া), র্যাচেল হেইন্স (অস্ট্রেলিয়া), ন্যাট সিভার (ইংল্যান্ড), বেথ মুনি (অস্ট্রেলিয়া), হেইলি ম্যাথিউস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মারিজান ক্যাপ (দক্ষিণ আফ্রিকা), সোফি একলেস্টোন (ইংল্যান্ড), শাবনিম ইসমাইল (দক্ষিণ আফ্রিকা), সালমা খাতুন (বাংলাদেশ)।
দ্বাদশ খেলোয়াড়: চার্লি ডিন (ইংল্যান্ড)