পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বা তথ্য ছাড়া মহাসড়ক অথবা সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী কোনো গাড়ি থামানো যাবে না।
মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ সভায় এসব বলেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এম খুরশীদ হোসেন।
সভায় সব মেট্রোপলিটন কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপাররা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
জানা গেছে, সভায় এআইজি (ক্রাইম ইস্ট) মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী গত ফেব্রুয়ারি মাসের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। দস্যুতা, খুন, দ্রুত বিচার, দাঙ্গা, অপহরণ, পুলিশ আক্রান্ত হওয়া, সিঁধেল চুরি ও চুরি সংক্রান্ত মামলা জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারি মাসে কমেছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। তবে ফেব্রুয়ারিতে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা কিছুটা বেড়েছে।
অপরদিকে, উদ্ধারজনিত মামলা গত জানুয়ারি মাসের তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচ্য ফেব্রুয়ারিতে পূর্ববর্তী জানুয়ারি মাসের তুলনায় মামলার সংখ্যা কমেছে বলে সভায় বলা হয়।
সভায় অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন বলেন, রোজা এবং ঈদকে কেন্দ্র করে শপিং মল, মার্কেটের নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার বা গুজব ছড়িয়ে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে সে ব্যাপারে তৎপর থাকতে হবে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরো গতিশীল করার মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।