কোরআনের আয়াত
‘যারা ইমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ইমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় প্রতিপালকের প্রতি ভরসা পোষণ করে।’ সুরা আনফাল : ২
হাদিস
হজরত হারিস ইবনে ওয়াহাব খুযাঈ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতি লোকদের পরিচয় বলব না? হবে দুর্বল এবং নিরীহ, কিন্তু তারা যদি কোনো ব্যাপারে আল্লাহর নামে কসম করে বসে, তাহলে আল্লাহ তা পূরণ করে দেন। আমি কি তোমাদের জাহান্নামি লোকদের পরিচয় বলব না? তারা রূঢ় স্বভাবের, কঠিন হৃদয়ের এবং অহংকারী হবে। সহিহ বোখারি : ৪৯১৮
দোয়া
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আহসিন আক্বিবাতানা ফিল উমুরি কুল্লিহা, ওয়া আজিরনা মিন খিযইদ্-দুনিয়া ওয়া আজাবিল আখিরা।’
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের সব কাজের পরিণতি সুন্দর ও উত্তম করে দিন এবং আমাদের দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখেরাতের শাস্তি থেকে বাঁচিয়ে দিন। মুস্তাদরাক হাকিম : ৬৫০৮
দেরিতে ইফতার
আমাদের অনেকেই ইফতারের সময় মাগরিবের আজান শেষ হওয়া পর্যন্ত বসে থাকেন, আজান শেষ হলে রোজা ভাঙেন। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর আজান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙা সুন্নত আমল। হজরত আনাস (রা.) বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটাই করতেন। সহিহ মুসলিম
এর উল্টো চিত্রও আছে। অনেকে ইফতারের সময় সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে অনুমান করে ইফতার করে ফেলে, এটাও অনুচিত। এর দ্বারা রোজা নষ্ট হওয়া সমূহ সম্ভাবনা থাকে। আবার এক শ্রেণির মানুষ আছে, যারা ইফতার বেশি খেতে গিয়ে মাগরিবের নামাজের জামাতে অংশ নিতে পারে না। এমন কাজ একেবারেই অনুচিত। হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েক টুকরো খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজের জন্য চলে যেতেন। প্রয়োজনে আমরা মাগরিবের নামাজ শেষ করে ফিরে এসে আরও কিছু খেতে পারি।
গ্রন্থনা : মাওলানা মুস্তাকিম বিল্লাহ