এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সংশ্লিষ্টতার জেরেই বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের সোনাপুরা গ্রামের রবিউল ইসলাম রনি মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
হত্যার ঘটনার ১১ দিনের মধ্যে মামলার প্রধান আসামি মেম্বার মো. জহিরুল ইসলাম মামুন ওরফে হাত কাটা মামুনকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব-৮।
রবিবার বেলা সোয়া ১১টায় র্যাব-৮ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বরিশাল র্যাব-৮ এর অধিনায়ক জামিল হাসান।
তিনি বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সংশ্লিষ্টতার জেরে গত ১৯ এপ্রিল রাতে জেলার বাকেরগঞ্জের সোনাপুরা গ্রামের রবিউল ইসলাম রনি মোল্লা ও তার দুই ভাইকে দেশীয় অস্ত্র ধারালো দা, রামদা, ছেনা, দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে মামলার অন্যতম আসামি মো. জহিরুল ইসলাম মামুন।
পরে রনি মোল্লাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. ইয়াছিন আলী মোল্লা বাদী হয়ে গত ২১ এপ্রিল বাকেরগঞ্জ থানা একটি মামলা দায়ের করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৮ বরিশালের একটি দল গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় হত্যাকারী প্রধান আসামি বাকেরগঞ্জ এলাকার ইসাপুরা গ্ৰামের আব্দুল মালেক হাওলাদারের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম মামুন (৩৭) ও একই এলাকার মৃত মকিবের ছেলে আব্দুর রবকে (৩৫) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা হতে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি মেম্বার মো. জহিরুল ইসলাম মামুন ওরফে হাত কাটা মামুনের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি, মাদকসহ নানান অভিযোগে বাকেরগঞ্জ ও বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামি আব্দুর রব সম্পর্কে মামুন মেম্বারের চাচাতো ভাই হন। তার বিরুদ্ধেও ২টি মামলা রয়েছে।
পরে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে জেলার বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।