ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ধাওড়া গ্রামে ঈদের দিনে একটি পার্কে বেড়াতে গিয়ে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীর বাবা গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শৈলকুপা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাশিনাথপুর গ্রামের ইসলাম খার ছেলে আরিফুল ইসলাম ও রতন মন্ডল ছোট ধলহরাচন্দ্র গ্রামের আবুবক্করের ছেলে।
পুলিশ ও ভিকটিমের স্বজনরা জানায়, ওই ছাত্রীকে কাশিনাথপুর গ্রামের আরিফুল ইসলাম ও ছোট ধলহরাচন্দ্র গ্রামের রিয়াজ নামে দু যুবক স্কুলে যাওয়া আসার পথে উত্ত্যক্ত করতো। ছাত্রীর বাবা প্রতিবাদ করায় তাকে হুমকি দিত।
গত ৪ এপ্রিল ওই ছাত্রী স্থানীয় পার্কে গেলে তাকে একটি কুঠিরে নিয়ে ধর্ষণ করে আরিফুল। ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে রাখে। ভিডিও ভাইরালের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। ঈদের দিন পার্কে বেড়াতে গেলে আরিফুল ও রিয়াজ ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে পার্কের ভেতরে আবারও কুঠিরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
এতে ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পার্কের কর্মচারী রতন মন্ডল ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তা করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিকটিমের বাবা গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শৈলকুপা থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।
শৈলকুপা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে রাতেই আরিফুল ও রতন মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। রিয়াজ হোসেনকে গ্রেপ্তার অভিযানে পুলিশ কাজ করছে।