করোনা মহামারীর কারণে গত দুই বছর বিধিনিষেধ ছিল। এতে অনেকেই ঈদ উদযাপনে গ্রামের বাড়ি যেতে পারেননি। কিন্তু এবার করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে অসংখ্য মানুষের চট্টগ্রাম ছাড়ার চিরাচরিত চিত্র চোখে পড়ে। লাখ লাখ মানুষ গ্রামে ঈদ উদযাপন করতে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শহর ফাঁকা হয়ে যায়।
ঈদুল ফিতরের টানা চার দিনের ছুটি শেষে গত বৃহস্পতিবার প্রথম কর্মদিবস শুরু হলেও চট্টগ্রাম শহরে এখনো চিরচেনা কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়নি। শহরের সব সড়কে যানবাহন ও যাত্রীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। ফলে চট্টগ্রামে এখনো ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। অফিসপাড়াগুলোতেও ঈদের আমেজ কাটেনি গতকাল পর্যন্ত।
সরেজমিন নগরের আগ্রাবাদ, জিইসি, দুই নম্বর গেইট, মুরাদপুর, বাকলিয়া, সাগরিকা এলাকায় ঘুরে দেখা যায় সড়কে মানুষের চলাচল খুবই কম। সাধারণ পরিবহনের সংখ্যাও তুলনামূলক কম। কর্মজীবীরা বাড়ি থেকে না ফেরায় বন্ধ ছিল নগরের বেশিরভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁ।
গরীবুল্লাহ শাহ এলাকার বাসস্যান্ডে শ্যামলী পরিবহনের ম্যানেজার নুরু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের বাইরে যাদের বাড়ি তারা এখনো নগরে ফেরেনি। আমাদের অনেক গাড়িতে সিট ফাঁকা থাকছে এখন। তাছাড়া পর্যটন এলাকাগুলোতে মৌসুম চলায় অনেকে বাড়ি থেকে বেড়াতে কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেটে চলে যাচ্ছেন। তাই সড়কে গাড়ি চলছে কম।’