রাফায়েল নাদাল লাল কোর্টের রাজা। এই কোর্টে তার দাপট এতটাই অবিসংবাদিত যে ২১টি গ্র্যান্ডসø্যামের ১৩টিই ফ্রেঞ্চ ওপেনের লাল কোর্টে জিতেছেন। সেই ফ্রেঞ্চ ওপেন শুরু হচ্ছে ১৬ মে থেকে। তার প্রস্তুতিটা ভালো হচ্ছে না নাদালের। মন্টি কার্লো ওপেনে খেলতে পারেননি ইনজুরির কারণে। দেশের মাটিতে মাদ্রিদ মাস্টার্সের কোয়ার্টার ফাইনালেই হেরে গেছেন স্বদেশি তরুণ কার্লোস আলকারাজের কাছে। তিন সেটের লড়াইয়ে ৬-২, ১-৬, ৬-৩তে হেরেছেন নাদাল।
কোয়ার্টারে হেরে যাওয়ায় সেমিফাইনালে তার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী নোভাক জকোভিচের সঙ্গে নাদালের দেখা হলো না। সার্বিয়ান তারকা ৬-৩, ৬-৪-এ হুবার্ট হুরকাজকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠেন। গতকাল আলকারাজের সঙ্গে ক্যারিয়ারের প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিলেন সার্বিয়ান কিংবদন্তি।
টানা ২৫ ম্যাচ জেতা নাদালের জয়রথ থামিয়ে দেওয়া আলকারাজ শুরু থেকেই ছিলেন নজরকাড়া। আগে নাদালের সঙ্গে দুটি ম্যাচ খেলে দুটিতেই হেরেছিলেন তিনি। তবে ৬ সপ্তাহ পাঁজরের হাড়ে চোট নিয়ে কোর্টের বাইরে থাকা নাদালও জানতেন আলকারাজের বিপক্ষে ম্যাচটা তার সহজ হবে না। ২ ঘণ্টা ২৯ মিনিটের লড়াই শেষে বিশ্ব ক্রমতালিকায় ৯ নম্বরে থাকা তরুণের কাছে শেষ পর্যন্ত হারতে হলো তাকে। গত বছর দ্বিতীয় রাউন্ডে এই মাদ্রিদ ওপেনেই আলকারাজ তার আদর্শ নাদালের মুখোমুখি হয়েছিলেন। কিন্তু সেই ম্যাচে তিনটির বেশি গেম জিততে পারেননি। এক বছর পরে সেই হারের শোধ নিলেন। প্রায় আড়াই ঘণ্টার দুরন্ত লড়াই শেষে বলেছেন, ‘এতদিন ধরে যে কঠোর পরিশ্রম করেছি, তার ফল পেলাম। ক্লে-কোর্টের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়কে পরাস্ত করার বিরাট গুরুত্ব রয়েছে।’ প্রথম মাস্টার্স ১০০০ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা জেতেন আলকারাজ মার্চে মায়ামিতে। একই সঙ্গে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে প্রথম দশেও চলে আসেন তিনি।