ডাচ জায়ান্ট আয়াক্সের হয়ে পেশাদারি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন জোডি লুকোকি। গত বছর যোগ দিয়েছিলেন দেশটির শীর্ষ ফুটবল লিগ ইরেদিভিসির ক্লাব এফসি টুয়েন্টেতে।
কিন্তু মাত্র ২৯ বছর বয়সে থামতে হলো লুকোকিকে। দু’দিন পর জানা গেল মধ্য আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর সাবেক এই উইঙ্গারের মৃত্যুর কারণ।
ডাচ সংবাদপত্র হেট প্যারোলের বরাতে স্প্যানিশ ক্রীড়া মাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, তর্কাতর্কিতে পরিবারের সদস্যরা লুকোকিকে মারধর করে নেদারল্যান্ডসের শহর আলমেরের এক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার মৃত্যুর বিষয়টি এখন পুলিশের তদন্তাধীন।
জাতীয় দলের হয়ে মাত্র তিন ম্যাচ খেলেছেন লুকোকি। ২০১৫ সালে কঙ্গোর জার্সিতে অভিষেক হয় তার। ২০২০ সালে শেষবার লিওপার্ডদের হয়ে খেলতে দেখা গেছে তাকে। কঙ্গোর জার্সি গায়ে পরার আগে নেদারল্যান্ডসের হয়ে বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন লুকোকি।
২০১০ সালে আয়াক্সের সিনিয়র দলের হয়ে মাঠে নামেন তিনি। এরপর লুকোকি যোগ দেন ইরেদিভিসির আরেক ক্লাব পিইসি জোলেতে। এছাড়া তিনি বুলগেরিয়ান ক্লাব লুদোগোরেটস এবং তুরস্কের ইয়েনি মালাতিয়াসপোরেও খেলেছেন।
দুই বছরের চুক্তিতে গত জুনে টুয়েন্টের সঙ্গে চুক্তি করেন লুকোকি। কিন্তু প্রাক-অনুশীলনের সময় হাঁটুতে মারাত্মক চোট পাওয়ায় মাঠে নামা হয়নি তার। ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ডাচ ক্লাবটি আগেভাগে চুক্তি শেষ করে এই উইঙ্গারের সঙ্গে।
মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে ভক্তদের সুখবর দিয়েছিলেন লুকোকি। নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে চোট কাটিয়ে জিমে ঘাম ঝরানোর কথা জানিয়েছিলেন।
লুকোকির আকস্মিক মৃত্যুতে তার সাবেক দুই ক্লাব টুয়েন্টে ও জোলে তাদের ওয়েবসাইটে গভীর শোক প্রকাশ করে।
২০১৪ সালে জোলেতে যোগ দেওয়ার আগে আয়াক্সের হয়ে ৩৫ ম্যাচে ৫ গোল করেন লুকোকি। এরপর লুদোগোরেটসে পাঁচ বছরের অধ্যায়ে ১৫৮ ম্যাচে করেন ৩০ গোল।