অর্থ পাচারের মামলায় বিচারিক আদালতে পাঁচ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছিরের সাজা কেন বাড়ানো হবে না জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে উচ্চ আদালত। সাজা বাড়াতে দুদকের করা আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। ঘুষ লেনদেনের আরেক মামলায় বাছিরের তিন বছরের কারাদন্ড হয়েছে।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পুলিশের বরখাস্তকৃত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নাসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২৪ জুন মামলা করে দুদক। পাশাপাশি মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত করতে গিয়ে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির মিজানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। পরে মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি আদালত মিজানকে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে তিন বছর এবং বাছিরকে ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ পাচারের পৃথক দুটি অভিযোগে যথাক্রমে তিন ও পাঁচ বছর করে মোট আট বছরের কারাদন্ড দেয়। এরপর অর্থ পাচার মামলায় সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী বাছিরের সর্বোচ্চ কারাদ-ের আরজি জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক।
দুদকের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অর্থ পাচার আইনে সর্বোচ্চ সাজা ১২ বছর কারাদন্ড। কিন্তু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। আমরা আবেদন করেছিলাম। কেন তার সাজা বাড়ানো হবে না আদালত তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও বাছির রুলের জবাব দেবেন।’