সংঘাত, সহিংসতা, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১০ কোটিরও বেশি মানুষ। রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ এ সংকটকে আরও তীব্র করেছে। একে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ‘বিস্ময়কর মাইলফলক’ অ্যাখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। সংস্থাটি জানায়, লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুতের অন্যতম কারণ ইউক্রেন যুদ্ধ। এছাড়া ইথিওপিয়া ও কঙ্গোতে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে অনেক মানুষ আশ্রয়হীন হয়েছে। ইউএনএইচসিআর আরও জানায়, ২০২১ সালের শেষ নাগাদ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত লোকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯ কোটি।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্বে রেকর্ডসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা কখনোই উচিত নয়। নিরপরাধ মানুষদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পেছনে যে ধ্বংসাত্মক দ্বন্দ্ব ও নিপীড়ন রয়েছে তা অবসানে সোচ্চার হতে হবে। এমন বাস্তুচ্যুত ইউক্রেন যুদ্ধসহ অন্যান্য মারাত্মক যুদ্ধের কারণে হয়েছে।’
সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যদি সংঘাতের কারণে ধ্বংসযজ্ঞ না থামানো যায়। ৮০ লাখ লোক ইউক্রেনের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত হয়েছে আর ৬০ লাখের মতো ইউক্রেন ছেড়ে অন্য দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। রাশিয়ার হামলার কারণে চলতি বছর শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। ইউক্রেনের অনেক শহরে গোলাবর্ষণ করে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের অবরুদ্ধ মারিওপোল, দনবাস, খারকিভে রাশিয়ার হামলায় ধ্বংস্তূপে পরিণত হয়েছে। গৃহহীন হয়েছে লাখ লাখ ইউক্রেনীয়।