প্রখ্যাত ব্রিটিশ অণুজীব বিজ্ঞানী, জৈব পদার্থবিদ এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যারি কম্পটন ক্রিক ১৯১৬ সালের ৮ জুন জন্মগ্রহণ করেন। ২০০৪ সালের ২৮ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ওয়াটসন ও মরিস উইলকিন্সের সঙ্গে যৌথভাবে ডিএনএ মলিকিউলের কাঠামো আবিষ্কার করেন তিনি। তাদের এই আবিষ্কারে নিউক্লেয়িক অ্যাসিডের আণবিক কাঠামো, ডাবল হেলিক্স এবং জীবিত সত্তার দেহে তথ্য স্থানান্তরে এর ভূমিকার কারণে ১৯৬২ সালে যৌথভাবে ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন ফ্রান্সিস ক্রিক। বিশ্বসেরা একজন অণুজীব বিজ্ঞানী হিসেবে তার গবেষণাগুলো জেনেটিক কোডের রহস্য উন্মোচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নোবেলপ্রাপ্তির পরের সময়টা থেকে বাকি জীবন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ‘সাল্ক ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিক্যাল স্টাডিজ’-এ গবেষণা করে কাটিয়েছেন ফ্রান্সিস ক্রিক। পরবর্তী জীবনে তার গবেষণার কেন্দ্রে চলে আসে তাত্ত্বিক স্নায়ুবিজ্ঞান এবং মানুষের স্নায়ুবিক চৈতন্যবিষয়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণা। ফ্রান্সিস ক্রিকের জন্ম হয়েছিল যুক্তরাজ্যের নর্থহ্যাম্পটনে। তার বাবার নাম হ্যারি ক্রিক ও মায়ের নাম অ্যানি এলিজাবেথ ক্রিক। ১৯৩৭ সালে লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। গনভিলে অ্যান্ড কেইয়াস কলেজে পিএইচডি গবেষণার দ্বিতীয় বছরেই তিনি ‘ক্যারে ফস্টার গবেষণা পুরস্কার’-এ ভূষিত হন। ফ্রান্সিস একজন বিদেশি হিসেবে ‘আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব আর্টস’-এর সম্মানসূচক সদস্যপদ লাভ করেন এবং ১৯৯১ সালে ‘ব্রিটিশ অর্ডার অব মেরিট’-এ ভূষিত হন।