বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে সায়মন বিচ রিসোর্ট।
আজ সকালে সায়মন বিচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব উর রহমান রুহেলের নেতৃত্বে সৈকতের কলাতলি পয়েন্ট থেকে শুরু করে সমুদ্রের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান করা হয়। এসময় বিভিন্ন হোটেলের কর্মচারী, মলিক, ব্যবসায়ী, পর্যটন উদ্দোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সায়মন বিচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব উর রহমান রুহেল বলেন, সমুদ্রকে বাঁচাতে হবে এবং পরিষ্কার রাখতে হবে এটি ট্যুরিজমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজারে অধিকাংশ হোটেল পরিবেশ দূষণরোধে ও দুর্গন্ধ ঠেকাতে বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা নেই। তাই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। যার জন্য সাগর দূষিত হয়ে নীল তিমিসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী মৃত্যুবরণ করে ভেসে আসছে প্রায়শই। তবে সায়মন বিচ রির্সোটসহ হাতেগুনা কয়েকটি হোটলে আধুনিক বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা রয়েছে।
ট্যুরিজম তথা সৈকতের জলজ প্রাণীকে বাঁচাতে প্রতিটি হোটেলে বর্জ্য শোধনাগারের ব্যবস্থা রাখার আহবান জানান তিনি। এছাড়া বিদেশি পর্যটক আর্কষণে আরো বিভিন্ন বিনোদনের উপকরণ সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় তিনি আরো বলেন, সমুদ্রের সঙ্গে প্রতিটি মানুষই সংযুক্ত। সমুদ্র মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। সাগর-মহাসাগরকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। এছাড়া বঙ্গোপসাগরকে ব্যবহার করে দেশের অর্থনৈতিক চাকা আরও গতিশীল করার অপুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। ব্লু-ইকোনিমি বিশ্বের অনেক দেশকেই ব্যাপক সফলতা এনে দিয়েছে। তাই সেদিকেই আমাদেরও মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে। এই সমুদ্রকে জানা, সমুদ্র ও সমুদ্রের সাথে সম্পৃক্ত বিষয় গুলোকে কাজে লাগানো এবং সমুদ্রকে দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে বাংলাদেশও ‘বিশ্ব সমুদ্র দিবস’ উদযাপনের গুরুত্ব রয়েছে।
দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাগর-মহাসাগর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা।