সামষ্টিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা ও বাজেট

সদ্যপ্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত (১৯৩৪-২০২২) প্রায়শ এ বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করতেন যে, মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন প্রয়াস প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত শক্তি ও সম্ভাবনা শনাক্তকরণ যেমন জরুরি তেমনি এর অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, অসংগতি ও অপারগতার দিকটিও আরও বেশি সচেতন সতর্কতার সঙ্গে বারবার পর্যালোচনাযোগ্য। কেননা অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন শুধু ভাব-ভাবনার তথা প্রচার-প্রচারণার বিষয় হয়ে থাকলে এবং এ ব্যাপারে বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আবশ্যকতার উপলব্ধি যদি অমনোযোগিতার হাতে বন্দি থাকে কিংবা প্রগলভতায় ভিন্ন খাতে প্রবাহের প্রয়াস পরিলক্ষিত হয় তাহলে স্বপ্ন দেখাই শুধু সার হবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন  বাস্তবতার বাজেট বাস্তবায়নযোগ্যতার নিরিখে  সামষ্টিক অর্থনীতির সুব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন ভাবনার প্রসঙ্গটি সংগত কারণে উঠে আসে। 

বছর দশেক  আগে টিআইবির এক রিপোর্টে উল্লিখিত হয়েছিল, সে সময় অনুষ্ঠিত তিনটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রার্থীরা অতিমাত্রায় অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। মাঠ পর্যায়ে (অর্থাৎ সিটি করপোরেশন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে) যারা ভোট প্রার্থী তারা ভোটারদের কাছে নিজেদের তুলে ধরবেন এবং ভোটাররা ভোটপ্রার্থীদের অতীত ও বর্তমান অবস্থান এবং তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি বাছ-বিচার করে অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করবেন এটিই ধ্রুপদ প্রত্যাশা। কিন্তু ভোটারদের কাছে প্রার্থীর পৌঁছানোর পদ্ধতি প্রক্রিয়াটা যদি হয় অনৈতিক, বিরক্তি ও বিব্রতকর এবং বিশেষ করে এ ব্যাপারে অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয় সংশ্লেষের ব্যাপার ঘটে যায় তা বেশ উদ্বেগজনক। কেননা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণে প্রার্থীরা যদি বড় ধরনের আর্থিক বিনিয়োগ ও পেশি প্রদর্শন করেন তাহলে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটি মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে।  আর এ জাতীয় বিচ্যুতির সুদূরপ্রসারী ক্রিয়া-প্রক্রিয়াও অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। এটি যেন এদেশের সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যে কোনো  নির্বাচনে (এমনকি পেশাজীবী সংগঠন সমিতি কিংবা ক্লাবের নির্বাচনে) প্রার্থী ‘সৎ, মেধাবী, যোগ্য, সমাজসেবক’ এসব বিশ্লেষণে বিভূষিত করে নির্বাচনে নিজেকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে উপস্থাপন করতে পারলেই ভোটে যেন জিতে যাবেন। সর্বত্র মনে হচ্ছে শুধু ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কে কত খরচ করতে পারবে তার প্রতিযোগিতা চলছে। সে সময় ভোটের দু’সপ্তাহ আগেই দেখা গিয়েছিল গোটা মেট্রোপলিটন পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে। এ বাবদ কয়েক হাজার টন কাগজ, কালি, দড়ি-রশি সবই সাবাড় হয়েছে। কিন্তু কেন? এই বিপুল ব্যয়ের টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রার্থীরা এ খরচ কীভাবে উসুল করতে চাইবেন। মূল প্রশ্নটি সেখানে। একজন প্রার্থীর নিজের ছবিসহ তার মার্কা কী তা জানানোর জন্য হাজার হাজার পোস্টার বানানো এবং টানানোর প্রয়োজন আছে কি? এর পেছনে যে খরচ তার আয়ের উৎস এবং তা উসুলে যে পথ-পন্থা ধরা হবে তা যে ‘জনসেবামূলক’ হবে না এটা সবাই জানে। অথচ এই পরিমাণ অর্থ গঠনমূলক কোনো কাজে ব্যয় করলে সেটিই হতে পারত আসল সমাজসেবা।

জাপানে যেকোনো নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারপত্র প্রকাশের জন্য রাস্তার মোড়ে রক্ষিত পাবলিক বিলবোর্ড আছে সেখানে একটি পোস্টার সাঁটার মতো খালি জায়গা ছক করে রাখা আছে। ওই জায়গাটি ব্যবহারে অর্থের বিনিময়ে অনুমতি নিতে হয় সিটি করপোরেশনে আবেদন করে। নির্দিষ্ট স্থানে শুধু একটা পোস্টার লাগানা যাবে এবং ভোটাররা সেখান থেকে জানতে পারবেন প্রার্থী সম্পর্কে। ওই বিলবোর্ডের নির্ধারিত জায়গা ছাড়া আর কোথাও কোনো প্রার্থীর পোস্টার দেখা যাবে না। একজন ভোটারকে হাজার হাজার পোস্টার দেখিয়ে যদি প্রার্থীর পরিচিতি নিশ্চিত করতে হয় এবং সে জন্য বিপুল অর্থ কাগজ কালি দড়ি শ্রমিক ব্যবহৃত হতে হয় তাহলে সেই ব্যয় জিডিপিতে তেমন কোনো অবদান রাখবে কি? এটি একটি অনাবশ্যক বাড়তি ব্যয়। এ জাতীয় অপচয়ের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। দ্রুত উন্নয়ন প্রত্যাশী একটি দেশের জন্য এ জাতীয় অনুৎপাদনশীল ব্যয় বা ব্যয়ের স্বভাব সমীচীন নয়। যেদেশের মানুষ নিম্নবিত্ত অবস্থায় থেকে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক উল্লম্ফনে উদ্বাহু অবস্থানে আতঙ্কিত থাকে সেদেশে রাজপথে অসংখ্য প্রচার প্রগলভ  বিলবোর্ড এবং ইদানীং দেখামতে সড়ক দ্বীপে প্রায় প্রতিটি লাইটপোস্টের সঙ্গে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচারের বাহার দেখলে মনে হবে বিপণন বিত্তবৈভবের অর্থনীতি এটি। যে দেশে একই সঙ্গে ডিজিটাল ট্রাফিক লাইট এবং ট্রাফিক পুলিশের পেছনে ব্যয় হয় সেদেশ উন্নয়ন অনুগামী এটা সহজে বলা যাবে না।

ঢাকাসহ দেশের বড় বড় শহরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে মূল্যবান ও কারুকার্য সংবলিত আধুনিক সিগন্যাল বাতি বসানো আছে। ডিজিটাল পদ্ধতির এসব সিগন্যাল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই বেশি। বাস্তবে দেখা যায় এগুলোর প্রকৃত ব্যবহার একেবারে নেই। বিপুল সংখ্যক ট্রাফিক পুলিশ তাদের মান্ধাতার আমলের আমলাতান্ত্রিক উপস্থিতি দিয়ে, সম্পূর্ণ অযান্ত্রিক পদ্ধতিতে, ‘নিজের ব্যক্তিগত খেয়ালখুশি ও বিচার’ মতো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে চলছে। একদিকে ডিজিটাল সিগন্যাল লাইটও জ্বলছে আবার তার বিপরীত বলয়ে ট্রাফিকের ম্যানুয়েল (ব্যক্তিগত) কসরতও চলছে। এ অব্যবস্থাপনায় শুধু ট্রাফিক পুলিশের নয় সড়ক ব্যবহারকারী লাখ লাখ মানুষের সহস্র শ্রম ঘণ্টা বিনষ্ট হচ্ছে। মহার্ঘ্য মূল্যে ক্রয় করা এবং সংস্থাপিত সিগন্যালিং সিস্টেমের ব্যবহারিক কার্যকারিতা না থাকলেও সেগুলো নিয়মিত জ্বলছে, ইনডিকেশন দিয়ে চলছে এবং সেগুলোর সংস্থাপন ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিশ্চয়ই এখনো বহন করতে হচ্ছে। এই মশহুর অপচয় ও অপব্যয় একটি মধ্যম আয়ের খায়েশধারী দেশের জন্য ব্যয়বহুল বালসুলভ ব্যবস্থা নয় কি? বছর তিন আগে মহানগরের দুই মেয়র মহোদয় সিটি সিটি করপোরেশন সিগন্যালিং সিস্টেমে ফিরে যাওয়ার একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু কাদের কারসাজিতে তা দুদিনেই প্রত্যাহার করতে হয় তার বস্তনিষ্ঠ বিশ্লেষণ ও প্রতিকার প্রয়োজন। প্রয়োজনে একটির পর একটি পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে প্রকৃত ব্যবস্থায় ফেরায় স্থির প্রাজ্ঞ থাকা যেত।   

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ ও অর্থনীতিতে কর জিডিপির রেশিও কাক্সিক্ষত সাধারণ মাত্রার (জিডিপির ১৫/১৬ শতাংশ) চেয়ে যথেষ্ট কম। বর্তমানে কর জিডিপি রেশিও ৮/৯ এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে অর্থাৎ জিডিপির ৫/৬ শতাংশ কর আওতার বাইরে বা সেখান থেকে রাজস্ব অনাহরিত থেকে যাচ্ছে। সেই টাকা হয় বিদেশে পাচার হচ্ছে নতুবা ন্যায়নীতিনির্ভরতার পরিবেশকে কলুষিত করছে। বলাবাহুল্য প্রতি বছর বাড়ানো বাজেটে জিডিপির ৪/৫ ভাগ পরিমাণ অর্থই ঘাটতি হিসেবে প্রাক্কলিত হতে হচ্ছে এবং এ ঘাটতি পরিমাণ অর্থ দেশি-বিদেশি কঠিন শর্তেও ঋণ নিয়েই সেই বাজেট বাস্তবায়িত হয়। অর্থাৎ দেশে জিডিপির আকার অনুপাতে যথাপরিমাণ ন্যায্য কর রাজস্ব অর্জিত হলে ঘাটতি বাজেট হয় না এবং বাজেট বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে ব্যাংকঋণ গ্রহণ কিংবা নানান শর্তসাপেক্ষে বিদেশের কাছে হাত পাততে হয় না। গভীর অভিনিবেশ সহকারে বিচার-বিশ্লেষণের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় কেন ন্যায্য কর রাজস্ব আহরিত হয় না বা হচ্ছে না, কারা করনেটের বাইরে এবং তাদেরকে করনেটে আনার পথে প্রতিবন্ধকতা ও সমস্যা কোথায়? বিভিন্ন কৌণিক দৃষ্টিতে পরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে দেশ সমাজ ও প্রশাসন কর রাজস্ব সুষমকরণের পথে স্বচ্ছতার ন্যায়ানুগতার, পক্ষপাতহীন পদক্ষেপ নিতে অপারগ হয়েছে বা হচ্ছে। কর প্রদানে আহরণে, এমনকি কর রেয়াত বা অব্যাহতিপ্রাপ্তিতে অন্তর্নিহিত অপারগতা, অসামঞ্জস্য  বা দুর্বলতা রয়েছে। সাধারণ ও অসাধারণ করদাতায় অসম বিভক্ত সমাজে, বণ্টন বৈষম্যের প্রক্রিয়ায় অসাধারণ করদাতারা শুধু একদাগে যে কর ফাঁকি দেয় সহস্র সাধারণ করদাতার ওপর তার চাপ পড়ে। বড় করদাতারা নীতিনির্ধারকের প্রশ্রয়ে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগে থাকলে কর প্রদান ও আহরণের সংস্কৃতি সুস্থ ও সাবলীল হতে পারে না। আইনপ্রণেতাদের সিংহভাগ অংশ বৃহৎ করদাতা হলে ক্ষমতার বলয়ে বসবাসকারী হিসেবে রেয়াত ও ছাড় গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাপক কর রাজস্ব রাষ্ট্রের হাতছাড়া হয়ে যায়। যথাযথ কর রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয় না। অথবা কথাটি এভাবে ঘুরিয়ে বলা যায় নীতিনির্ধারক নেতৃত্বের যে বলিষ্ঠ কমিটমেন্ট দরকার কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যে, যে এনফোর্সমেন্ট, যে সুষম পরিবেশ, যে পক্ষপাতহীন আচরণ, যে দৃঢ়চিত্ত মনোভাবের প্রয়োজন তা যেন থেকেও থাকে না। আইন সভায় যে অর্থবিল উত্থাপিত ও গৃহীত হয় সেখানে পরীক্ষা পর্যালোচনা উত্তর ছাঁটাই প্রস্তাব পেশের কিংবা বিভিন্ন গঠনমূলক মত প্রকাশ বা প্রস্তাবনা পেশের ন্যয়নীতিনির্ভর উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যবস্থায় অপারগতা, উপেক্ষা কিংবা সীমাবদ্ধতা প্রকট হয়ে উঠছে। ফলে বাজেটে ফিসকেল মেজারসগুলো যা যা যেভাবে উত্থাপিত হয় তাই গৃহীত হয়। মূল বাজেটে আয় ব্যয়ে প্রাক্কলিত বরাদ্দ যথাযথ অর্জিত হচ্ছে কি না তার জবাবদিহিকরণের সুযোগ সেখানে অনুপস্থিত। এটাই সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান হাল-হকিকত।

মধ্যম আয়ের দেশ অভিলাষী একটি দেশে সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় আর্থিক  ‘অন্তর্ভুক্তি’র দৃষ্টিভঙ্গি বিশেষ পুষ্টিকর ও উপাদেয় এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু তা শুধু কথার কথায় কিংবা বিদেশে বিশেষ সেমিনারে স্বীকৃতি ও প্রশংসাপ্রাপ্তির মধ্যে ঘুরপাক খেয়ে বিকশিত হতে পারে না। অন্তর্ভুক্তির দর্শনকে সার্বিকভাবে টেকসই ও বাস্তবায়নযোগ্য করা উচিত। প্রশাসনে, আর্থ-সামাজিক পরিবেশে, সংস্থায়, প্রতিষ্ঠানে, দেশজ সংস্কৃতিতে সর্বত্র পক্ষভুক্তকরণের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিচ্যুতকরণ ব্যবস্থাপনার উপস্থিতিতেই অন্তর্ভুক্তি উন্নয়ন দর্শন যাতে ব্যর্থতায় পর্যবসিত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। রাষ্ট্রের সেবা ও সুবিধাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে (ক্ষেত্রবিশেষে) বিশেষ প্রাধান্যপ্রাপ্তি এবং ব্যাংকিং খাতে অসম্ভব অন্যায় অনিয়মে প্রতিকার প্রতিবিধানে পক্ষপাতিত্ব কিংবা অপরাগতার মধ্যে অন্তর্ভুক্তির মতো কার্যকর দর্শন হারিয়ে যেতে পারে না। শত শত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে  দীর্ঘদিন কর্মহীন অবস্থায় বেতন-ভাতাদি আহরণ করতে হচ্ছে , ঊর্ধ্বতন পদে উন্নীত হয়েও স্বপদে কাজ করতে হচ্ছে, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ঘটার কারণে যে ২/৩ গুণ ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, ব্যাংকিং খাতে বড় দাগে আত্মসাৎ ও লোপাট হচ্ছে, তা তো যে কোনো বিবেচনায় ‘গুডস অ্যান্ড সার্ভিস প্রডিউস না হয়েও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়’। নানান অস্থিরতায় উৎপাদন ব্যাহত হয়ে, সরবরাহে বিঘœ ঘটে, নানান দুর্ঘটনায়, দুর্নীতিতে, অগ্নিকা-ে, বন্যায় যে বিপুল ক্ষতি হয় সেটিই বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই ডিজিটে যাওয়ার সুযোগ ও সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিচ্ছে।

লেখক কলাম লেখক উন্নয়ন অর্থনীতির বিশ্লেষক