থানচিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু

থানচি উপজেলা দুর্গম এলাকায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ১২ জন। এছাড়া অন্তত ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত এলাকায় দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে ওষুধ।

আজ রবিবার (১২ জুন) দুপুরে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

নিহতরা হলেন, রেমাক্রী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেন থাং পাড়ার বাসিন্দা আমেন ম্রো’র ছেলে কার্বারী মেনথাং ম্রো (৪৮), লংঙান পাড়ার বাসিন্দা মেনপুং ম্রো এর ছেলে লংঙান ম্রো (৫০) এবং একই ওয়ার্ডের সিং চং পাড়ার বাসিন্দা মেন রো ম্রোর ছেলে প্রেন ময় ম্রো (১১)। 

ডাঃ ওয়াহিদুজ্জামান মুরাদ বলেন, রেমাক্রি ও তিন্দু ইউনিয়নে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। ৩টি মেডিকেল টিম রেম্রাক্রি, বড়মদক এবং আন্দারমানিকের একটু আগে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও বিজিবি’র মাধ্যমে ওষুধপত্র পাঠানো হয়েছে ওইসব এলাকায়।

তবে থানচির দুর্গম এলাকায় কতজন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এলাকাগুলো দুর্গম। মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। মেডিকেল টিম ফিরে আসলে বলা যাবে। তবে এখন পর্যন্ত ৬০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর জানি। 

রেমাক্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুই শৈ থুই মার্মা বলেন, বর্ষা মৌসুম হওয়ার কারণে দুর্গম এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট বেশি। ঝিড়ি-ঝর্ণা-খালের পানি দূষিত হয়ে গেছে। ময়লা পানি পান করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মনে হয়।  

বান্দরবান সিভিল সার্জন নিহার রঞ্জন নন্দী বলেন, খুব দুর্গম এলাকা হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব খারাপ। আমরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত এলাকায় বিজিবির সাথে কাজ করছি। বিনামূল্যে ওষুধপত্র দেয়া হচ্ছে। বেশির ভাগই ঝিড়ির ময়লা পানি খাওয়ার কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মত ভর্তি আছে।