বানের পানি নামছে। দেশের উজানে ও অভ্যন্তরে বৃষ্টিপাত কমে আসায় দেশের সব নদনদীর পানি সমতল নেমে জেগে উঠতে শুরু করেছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন। এখনো দেশের বন্যাকবলিত জেলাগুলোর বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র পাওয়া যায়নি। তবে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর ক্ষতির যে তথ্য পাওয়া গেছে তা সংস্কার করাই এখনো প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও দেশের অভ্যন্তরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় দেখা দেয় আকস্মিক বন্যা। ভয়াবহ সেই বন্যায় ডুবে যায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কুড়িগ্রামের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। পরে মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি জেলায়ও বন্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিনে বেশিরভাগ এলাকার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনো পুরোপুরি নামেনি পানি। ফলে এখনো ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত তথ্য মেলেনি দুর্গত এলাকাগুলো থেকে।
তবে বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতি সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কুড়িগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও বেড়িবাঁধের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে। তাতে দেখা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা বন্যায় সিলেট-সুনামগঞ্জের অধিকাংশ এলাকার বহু বসতঘর বন্যায় ভেসে গেছে কিংবা ধসে পড়েছে। প্রশাসনের হিসাবে সিলেটের ২২ হাজার ৪৫০টি আর সুনামগঞ্জের অন্তত ১০ হাজার বাড়িঘর ভেঙে নিয়ে গেছে পানির তোড়ে। এসব পরিবার এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। তাই বন্যা শেষ হলেও সর্বস্ব হারানো এসব মানুষ কবে নিজ ভিটায় উঠতে পারবেন, তা একেবারেই অনিশ্চিত।
সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, সিলেট-সুনামগঞ্জে সড়ক বিভাগের ৩৬০ কিলোমিটার সড়ক ভেঙে গেছে। পাশাপাশি এলজিইডির ৪ হাজার কিলোমিটার সড়ক ভেঙে গেছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে এসব সড়কের কঙ্কাল চেহারা বেরিয়ে আসছে। সড়কগুলো দিয়ে এখন চলাচল করাই দায় হয়ে পড়েছে। দ্রুতই এগুলো পুনর্গঠন করতে হবে।
কুড়িগ্রামের প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার চরাঞ্চল। চর এলাকার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ৬৫টি বাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও তিন শতাধিক বাড়িঘর। এছাড়া ওই ইউনিয়নের প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়ক বিধ্বস্ত হয়েছে।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও বাঁধের তথ্য দিতে না পারলেও গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় অন্তত ১০ হাজারের বেশি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক কিলোমিটার। গতকাল এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেছেন, ‘জুন ক্লোজিং’ নিয়ে চাপ থাকার কারণে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য তারা এখনো সংগ্রহ করতে পারেননি। এছাড়া হবিগঞ্জে ৩৩৪ কিলোমিটার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাসিরনগরে ৩৪৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের বরাতে জানিয়েছেন দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধিরা।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫ হাজার ৮৫ স্কুল-কলেজ। এর মধ্যে মাধ্যমিকে পাঠদানের উপযোগী নয় ৯১৭ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গতকাল সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
মাউশি অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন বিভাগ গতকাল পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেখানে তারা বলছে, ১৮ জেলার ৮৬ উপজেলার ১ হাজার ৮৫ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিলেটের ৩৪২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় সুনামগঞ্জের ২৬৫ ও তৃতীয় নেত্রকোনার ১৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
মাউশি অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জে ৩৫, সিলেটে ৩৪২, সুনামগঞ্জে ২৬৫, মৌলভীবাজারে ৪০, গাইবান্ধায় ২১, কুড়িগ্রামে ৯৯, লালমনিরহাটে ৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭, ময়মনসিংহে ২, টাঙ্গাইলে ৩৯, জামালপুরে ২৮, কিশোরগঞ্জে ৩২, শেরপুরে ১, নেত্রকোনায় ১৩৬, বগুড়ায় ৮, সিরাজগঞ্জে ২১, নরসিংদীতে ১ ও মানিকগঞ্জে ২টি প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার ছাড়া পাঠদান সম্ভব নয় এমন জেলার ক্ষেত্রেও এগিয়ে সিলেট। তাদের ২৮৮টি প্রতিষ্ঠানে এ মুহূর্তে পাঠদান সম্ভব নয়। সুনামগঞ্জের ২৮৮টিতেই পাঠদান সম্ভব নয়। এছাড়া নেত্রকোনার ১২২, হবিগঞ্জের ৩৫, মৌলভীবাজারের ৪০, কুড়িগ্রামের ৫৫, জামালপুরের ২৮, কিশোরগঞ্জের ৩২, সিরাজগঞ্জের ১৮টিতে পাঠদানের উপযোগিতা নেই।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. নুরুল আমিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত যে তথ্য পেয়েছি তাতে ১৭ জেলার ১৪৫ উপজেলার প্রায় চার হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অনেক স্কুলে এখনো পানি রয়েছে। বন্যার পানি পুরোপুরিভাবে নেমে যাওয়ার আগপর্যন্ত ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব নয়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল মেরামতের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
সিলেট থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রাথমিক তথ্যমতে সড়ক ও জনপথ (সওজ), স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও সিলেট সিটি করপোরেশনের আওতাধীন অন্তত এক হাজার কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্থমূল্যে এই ক্ষতি প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সিলেট বিভাগে সওজের আওতাধীন ৪১৫ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটের ১৫৬ কিলোমিটার, সুনামগঞ্জে ১৮৪ দশমিক ৩০ কিলোমিটার ও মৌলভীবাজারে ৭৪ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সওজের সড়কের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। আর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন সিলেট বিভাগের চার জেলায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সড়ক ও ১৮টি ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে এলজিইডির সড়কের আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৫০০ কোটি টাকার। তবে এখনো বন্যার পানি পুরোপুরি না নামায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ হয়নি। এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার সড়কে ১০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও জনপথ সিলেট বিভাগের আওতাধীন ১২টি সড়কে বন্যার পানি উঠেছে। এসব সড়কের ব্রিজ-কালভার্ট ও অ্যাপ্রোচ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সওজের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় সুনামগঞ্জের ৯টি সড়ক তলিয়ে গিয়েছিল। পানিতে ডুবেছিল সুনামগঞ্জ সড়কের ৪৬ কিলোমিটার, তাহিরপুর সড়কের ১৭ কিলোমিটার, শাল্লা-জলসোকা সড়কের ২২ কিলোমিটার, নিয়ামতপুর-কাছিরগাতি-বিশ্বম্ভরপুর সড়কের ১৭ কিলোমিটার, সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কের ১৮ কিলোমিটার, গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক সড়কের ২৭ কিলোমিটার, মদনপুর-দিরাই-শাল্লা সড়কের ৪৬ কিলোমিটার ও পাগলা-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি সড়কের ৩৬ কিলোমিটার। ডুবে যাওয়া এসব সড়কের বিটুমিনের ক্ষতি হয়েছে শতভাগ। সুনামগঞ্জে বন্যায় এলজিইডির আওতাধীন প্রায় ২৭২ কিলোমিটার সড়ক, তিনটি ব্রিজ ও একটি রাবার ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৯০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ভেঙে গেছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি রাবার ড্যামের দুদিকের রাস্তাসহ অফিসঘর ঢলের পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। তবে সড়কের বেশি ক্ষতি হয়েছে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলায়।
সওজ সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতির পর ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। এ বছর এখন পর্যন্ত তিন দফা বন্যায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রথম দফা বন্যায় বেশ কয়েকটি সড়কের অন্তত ৭৫-৮০ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৬৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। দ্বিতীয় দফা বন্যায় সব সড়ক তলিয়ে গিয়েছিল এবং পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২৭২ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতি প্রায় ৯০ কোটি টাকার।
এলজিইডি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী এনামুল কবীর জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন সিলেট জেলার ৬০ ভাগ সড়ক প্লাবিত হয়েছে। এখনো চারটি উপজেলার সড়কে পানি রয়েছে। সড়কগুলো থেকে পুরোপুরি পানি না নামলে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে না।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১৬৫ কিলোমিটার সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কানাইঘাট, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান জানান, নগরীতে বন্যাকবলিত এলাকায় রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি ও ব্রিজ-কালভার্ট, ড্রেন ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়েছে। নগরের ৬০ কিলোমিটার সড়কে ১০০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।
এলজিইডির সিলেট বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী গোপাল কৃষ্ণ দেবনাথ জানান, পুরো বিভাগে এলজিইডির প্রায় ৭০০ কোটি টাকার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো পুরোপুরি হিসাব করা যায়নি। কারণ উপজেলাগুলো থেকে পানি পুরোপুরি নামেনি। তবে অন্তত ৬০০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি হয়েছে।
এদিকে প্লাবিত এলাকার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামত, পুনর্নির্মাণ, ক্ষতিগ্রস্ত বাসাবাড়ির তালিকা প্রণয়ন এবং নগরকে বন্যামুক্ত রাখতে করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে একটি উচ্চতর সমন্বয় কমিটি গঠন করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। গত রবিবার মহানগরের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
এদিকে এবারের বন্যায় সব মিলিয়ে দেশের ১৮ জেলার ৬৮ উপজেলার ৩৯৮টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়। বন্যাকবলিত এলাকার ৫ লাখ ৬২ হাজার ৯২৬ জন পানিবন্দি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৫০ লাখের বেশি মানুষ।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার পরপরই ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বসতবাড়ি, ঘর, গবাদিপশু, রাস্তাঘাট কী পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার তালিকা তৈরির কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘তালিকা তৈরির পরই আমরা পুনর্বাসনের জন্য কাজ শুরু করব। বাড়িঘর থেকে শুরু করে যার যতটুকু ক্ষতি হয়েছে সেভাবে আমরা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব। এটা সহায়তার দ্বিতীয় ধাপ।’