নজর কাড়ছে ৪০ মণ ওজনের ‘দাদারাজ’

নাম ‘দাদারাজ’। বয়স ৩ বছর। ওজন প্রায় ৪০ মণ। যার দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা। বিশাল আকৃতির এই গরু দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছে বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

ষাঁড়টির মালিক ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার ভগবাননগর গ্রামের ব্রাদার্স এগ্রো ফার্মের ফিরোজ হোসেন।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজকরণ আর বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।

সহজেই ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গরু পাঠাতে পারলে একটু বেশি লাভ হবে বলে আশা তার। তবে ভাবাচ্ছে দেশের বন্যা পরিস্থিতি আর দেশের বাইরে থেকে গরুর আনার বিষয়টি।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম পশু পালনকারী জেলা ঝিনাইদহ। কোরবানির হাটে পশু বিক্রির জন্য এ জেলায় প্রতি বছরই বড় ওজনের গরু লালন-পালন করা হয়ে থাকে। সবচেয়ে বড় ও বেশি দামের গরু দেখতে প্রতিবার কোরবানিতে থাকে দেশবাসীর আগ্রহ। এবার সে আগ্রহ পূরণ করছে ঝিনাইদহের ‘দাদারাজ’।

মালিক ফিরোজ হোসেন ঈদুল আজহা উপলক্ষে লালন-পালন করছে ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি।

৩ বছর আগে তার খামারে জন্ম নেয় ‘দাদারাজ’। প্রতিদিন খড়, গমের ভুসি, নেপিয়ার ঘাসসহ বিভিন্ন দেশীয় খাবার খাওয়ানো হয়। বাজারে ভালো দাম পেতে করা হচ্ছে পরিচর্যা।

গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় বাজার ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি ভারতীয় গরু আমদানি না করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি খামারিদের।

ভগবাননগর গ্রামের ব্রাদার্স এগ্রো ফার্মের মালিক ফিরোজ হোসেন বলেন, একটি গাভি দিয়ে ব্রাদার্স এগ্রো ফার্মের যাত্রা শুরু করি। এখন সেই ফার্মে ৪০ মণ ওজনের ষাড়সহ ছোট বড় ১৫টি গরু রয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোজিত কুমার বলেন, গরুটি সুস্থ সবল রাখতে ও দাম ভালো পেতে প্রতিনিয়তই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।