পাঙ্গাস ছাড়া ২০০ টাকা কেজির নিচে বড় মাছ নেই

রাজধানীর বাজারগুলোতে পাঙ্গাশ মাছ ছাড়া ২০০ টাকার নিচে কোনো বড় মাছ পাওয়া যায় না। পাঙ্গাশ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা। কম দামে বিক্রি হওয়া তেলাপিয়া মাছও এখন বিক্রি করা হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে।

রাজধানীর মিরপুর-১৩ মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় বড় মাছ কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। ছোট রুই (নলা মাছ) বিক্রি করা হচ্ছে প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, এক কেজি ওজনের রুই ২৬০ টাকা, দেড়-দুই কেজির রুই ৩২০ টাকা, দু-তিন কেজির রুই ৩৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বড় কাতল প্রতি কেজি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। 

বাজারে মাছের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমের কথা বলছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এ জন্য কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। তবে এই বাড়তি দাম বেশি দিন থাকবে না। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়ার আশা করছেন তারা। তখন দাম কমে আসবে বলেও জানান মাছ ব্যবসায়ীরা

শুধু মাছের দাম নয়, দাম বেড়েছে মুরগি ও ডিমেরও। ঈদের পরের এক সপ্তাহ প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি করা হলেও এখন বিক্রি করা হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। সোনালি মুরগির কেজি ছিল ২৫০ টাকা, সেটি বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৭০ টাকায়। প্রতি হালি লাল ডিম ৪০ টাকা দরে বিক্রি করা হলেও এখন বিক্রি করা হচ্ছে ৪৫ টাকায়।

একই সঙ্গে বেড়েছে সবজি ও কাঁচা মরিচের দামও। ঈদের আগে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি করা হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।