ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালটি নির্মাণ শেষ হয়েছে মাত্র এক বছর হলো। অনেকগুলো কক্ষ এখনো ব্যবহারও হয়নি। এরমধ্যেই দেয়াল ও মেঝে থেকে খসে পড়ছে টাইলস। হালকা বাতাসেই ভেঙে পড়ছে কাচের দেয়াল।
হাসপাতাল ও গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৯ জুন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। শেষ হয় ২০২০ সালের ২৫ জুন। আর হস্তান্তর করা হয় ২০২১ সালের ৩১ মার্চ। ৮ তলা বিশিষ্ট হাসপাতালটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৪২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। লিফটসহ, আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে হাসপাতালটিতে। কিন্তু হস্তান্তরের এক বছর পেরোতেই হাসপাতালটিতে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দেয়াল ও মেঝে থেকে টাইলস উঠে যাওয়ার পাশাপাশি কাচের দেয়াল ভেঙে পড়ছে। উঠে যাচ্ছে মেঝের ইট-সুরকি। নিম্নমানের কাঠের দরজাগুলোও ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, অপারেশন থিয়েটারটি এখনো ব্যবহার না হলেও মেঝের রাবার প্লাস্টার উঠে গেছে। কয়েকটি এসি দিয়ে পানি ঝরায় নিচে বালতি দিয়ে রাখা হয়েছে। বেশিরভাগ টয়লেটই ব্যবহার অনুপযোগী। হাসপাতাল নির্মাণকাজের ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম টিপু মল্লিক বলেন, ‘নির্মাণকাজ হাসপাতাল ও গণপূর্ত কর্তৃপক্ষ বুঝে নিয়েছেন। এখন কাজে ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার দায়ভার ঠিকাদার নিতে পারেন না। সে সময় নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার নিজে ইতালি ভ্রমণ করে এসি ও লিফট কিনেছেন।’
ঝিনাইদহ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জেরাল্ড ওলিভার গুডা বলেন, ‘হাসপাতালের যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে মেরামত করে দেওয়া হবে। কিছু কাজ করা হয়েছে। বাকিগুলো চলতি অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ থেকে করা হবে।’
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি অভিযোগ আকারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হলেও এখনো কোনো সুরাহা হয়নি।’