দেশে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে এ বছর। ১০ বছর পর শুমারির কথা থাকলেও করোনা মহামারীর কারণে তা পিছিয়ে ১১ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্য শুমারির মতো হাতে-কলমে না হওয়ায় সময়ও লেগেছে কম। গণনা শেষ হওয়ার মাত্র ২৯ দিনেই ফলাফল দেওয়া হয়নি আর কোনো শুমারিতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিদিনের ডাটা প্রতিদিন পাওয়ায় দ্রুত রেজাল্ট পেয়েছেন তারা। এবারের ফলাফলও সবচেয়ে বিশুদ্ধ দাবি তাদের।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনসংখ্যা গণনা হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর ১৯৮১ সালে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এর ১০ বছর পর ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চম শুমারি। এসব শুমারিতে ফল পেতে কমপক্ষে ছয় থেকে সাত মাস সময় লেগেছে। কারণ দেশের প্রতিটা ঘরে ঘরে তথ্য সংগ্রহ করার পর হাতে-কলমে এগুলো হিসাব করা হতো। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শুমারির ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হতো।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ে একটি আলোচিত বিষয়। এর মূল লক্ষ্য একুশ শতকে বাংলাদেশকে একটি তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের বছরে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর করা। এসব বিষয়ে বাংলাদেশ অর্জন করেছে তার বড় প্রমাণ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ। মাত্র ২৯ দিনেই শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।