বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের সময়সূচি আর বাস্তবতার ভিন্ন চিত্র নিয়ে যশোরে গ্রাহকপর্যায়ে ক্ষোভ বেড়েছে। শহর এলাকায় পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও গ্রামাঞ্চলের অবস্থা একেবারে ভিন্ন। সেখানে দিন ও রাত মিলিয়ে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এ পরিস্থিতিতে ‘কিছুই করার নেই’ বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন। তাদের দাবি, সরকারি সময়সূচি মেনে এখন আর বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন ওজোপাডিকো-যশোরের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মাদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ওজোপাডিকো যশোরের দুটি জোনের আওতায় ১ লাখ ৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের এই দুটি জোনে চাহিদা রয়েছে ৫৫ মেগাওয়াট। অথচ সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
প্রকৌশলী মোহাম্মাদ শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে লোডশেডিংয়ের নির্ধারিত শিডিউল মেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছি না। যখন যতটুকু বিদ্যুৎ পাচ্ছি, সেটুকুই গ্রাহক পর্যায়ে সরবরাহ করছি। গ্রাহকরা যাতে কষ্ট না পান, সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার আবু বকর শিবলী বলেন, ‘বিদ্যুৎ বিতরণের ক্ষেত্রে আমরা কোনো এলাকার জন্য আগাম পরিকল্পনা প্রস্তুত করি আগের দিন। কিন্তু পরদিন দেখা যাচ্ছে ওই এলাকার বিদ্যুতের ব্যবহার কোনো কারণে বেড়ে গেছে এবং আমরাও টার্গেট অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। সে ক্ষেত্রে কোনো শিডিউল আর মানা সম্ভব হয়ে ওঠে না।’