দলে ছিলেন না নিয়মিত অধিনায়ক বাভুমা। খন্ডকালীন অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন ডেভিড মিলার। সুযোগ পেয়েই প্রোটিয়াদের এনে দেনে ইংলিশদের ঘরের মাঠে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ। ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ইংল্যান্ডকে ৯০ রানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের দখলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
তৃতীয়বারের মতো ইংল্যান্ডের মাঠে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজ খেলতে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। আগের দুইবারই সিরিজ জয় হাতছাড়া হয়েছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কুইন্টন ডি কককে আউট করে ম্যাচের শুভসূচনা করে ইংল্যান্ড। কিন্তু ম্যাচ শেষে শেষ হাসি হাসতে পারেনি ইংলিশ ক্রিকেটাররা।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে মাঠে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে, তাবরাইজ শামসির ঘূর্ণিতে ১০১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
শুরুতে ডি ককের উইকেট হারানোর পরও দমে যায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় উইকেটে রাইলি রুশোর সঙ্গে ৫৫ রান যোগ করেন রেজা। আউট হওয়ার আগে ১৮ বলে ৩১ রান করেন রুশো।রুশো ১৮ বলের মধ্যে ৬ চারে ৩১ রান তুলে আউট হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন। ওপেনিংয়ে নেমে হেনড্রিকস ৫০ বলে ৯ চারে ৭০ রান করেন। চারে নামা অ্যাইডেন মার্করাম ৩৬ বলে ৫ চারে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন।
শেষ দিকে প্রোটিয়ান অধিনায়ক মিলার মাঠে নেমে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৯ বলে ২২ রান তুলে দলকে বড় সংগ্রহ দেন। ইংলিশদের পক্ষে ডেভিড উইলি ২৫ রানে তুলে নেন ৩ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়া করতে মাঠে নেমে তাবরেইজ শামসির বোলিং জাদুতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ইংলিশরা। এই চায়নাম্যান ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে প্রোটিয়াদের জয় তুলে নিতে সাহায্য করেন। এ ছাড়া আরেক স্পিনার কেশভ মহারাজ ২১ রানে তুলে নেন ২ উইকেট। ইংলিশদের পক্ষে জনি বেয়ারস্টো ২৭, জেসন রয় ১৭ এবং বাটলার ও ক্রিস জর্দান ১৪ রান করে।