অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে প্রথমবারের মতো ‘মাল্টিকালচারাল অ্যান্ড ইন্ডিজেনাস মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ (এমআইএমএ) পেলেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ৫ বাংলাদেশি ও প্রতিষ্ঠান।
সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কমিউনিটি কলামিস্ট বিভাগে সেরা সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে অজয় দাশগুপ্ত, প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে মাসিক মুক্তমঞ্চ পত্রিকা ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম, অনলাইন মিডিয়া বিভাগে অনলাইন পোর্টাল প্রশান্তিকা ও সম্পাদক আতিকুর রহমান শুভ, কমিউনিটি সাংবাদিকতা বিভাগে বিডি প্রতিদিন ও সিডনি প্রতিদিনের আবু নাঈম আব্দুল্লাহ এবং কমিউনিটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে আব্দুল কাইউম।
গত ২৯ জুলাই শুক্রবার বিকেলে পার্লামেন্টের জুবিলি হলে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এ উপলক্ষে বাংলা মিডিয়ার বিভিন্ন সম্পাদক ও সাংবাদিকদের মিলনমেলা তৈরি হয়। এই সম্মাননায় যৌথভাবে যুক্ত ছিল অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাব।
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী কমিউনিটির ১৬টি মিডিয়া অংশ নেয় এবং পুরস্কারের জন্য প্রায় ৩০ টি মনোনয়ন জমা পড়ে। বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক এবং শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল মনোনয়নগুলো যাচাই বাছাই করে পুরস্কার নির্ধারণ করেন। প্যানেলে ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আহমেদ জামাল, সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবলীনা ঘোষ, ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বদরুল খান এবং মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জিয়া আহমেদ।
পদক প্রদান অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ‘মাল্টিকালচারাল অ্যান্ড ইনডিজেনিয়াস মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ (এমআইএমএ) এর সভাপতি শওকত মোসেলমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেল শাখাওয়াত হোসেইন, গামা আব্দুল কাদির ও টিটো সোহেল।
বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী সাংবাদিকদের বড় সংগঠন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মো. রহমত উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আব্দুল্লাহ টুটুল এবং সহসভাপতি কাজী সুলতানা সিমি। আরও বক্তব্য রাখেন কনসাল জেনারেল শাখাওয়াত হোসেইন, সিডনির মেয়রের প্রতিনিধি কাউন্সিলর রবার্ট কক, কমিউনিটি ব্রডকাস্টিং অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার জানা গিবসন, ড. দেবলীনা ঘোষ, আদিবাসী মুরব্বিদের (ইন্ডিজেনাস এল্ডার) প্রতিনিধি আন্টি ডোনা ইনগ্রাম ও টিটো সোহেল। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন সাইমা আফ্রিক।
অনুষ্ঠানে পদক বিজয়ীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যশিল্পী সাফায়ার। বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয় সমাজকর্মী আফরিনা চৌধুরী ও টপ আপ প্লাজাকে। পদক অনুষ্ঠানে মূলধারার মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।