দেশে কাঁচা মরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতি দেওয়ায় দীর্ঘ ৯ মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
গত দুদিনে বন্দর দিয়ে ১৯টি ট্রাকে ১১২টন কাচা মরিচ আমদানি হয়েছে।
এ দিকে আমদানি অব্যাহত থাকলেও দেশে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোয় কেজিতে ১০ টাকা করে বেড়েছে কাচা মরিচের দাম।
একদিন পূর্বে বন্দরে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশে কাচা মরিচের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে গত ৪ আগস্ট ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
এর ফলে আমদানিকারকরা এলসি খুললে গত ৬আগষ্ট থেকে বন্দর দিয়ে কাচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
গত দুদিন ধরে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে দেশে কাঁচামরিচ প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। এতে করে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম নিয়ে যে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছিল সেটি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু দেশের বাজারে কাঁচামরিচের বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কাঁচামরিচের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
সেই সঙ্গে পূর্বের তুলনায় কিছুটা সরবরাহ কমের কারণেও ভারতের বাজারে দামের উপরে প্রভাব পড়েছে। যার কারণে কিছুটা বাড়তি দামে কিনতে হওয়ায় দেশের বাজারেও দাম একটু বাড়ছে।
তবে আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম খুব একটা বাড়বে না কাঁচামরিচের দাম ১৫০ টাকার মধ্যেই থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধের পর গত ৬ আগস্ট শনিবার বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
এ দিন বন্দর দিয়ে ৯টি ট্রাকে ৫৮ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। গতকাল রবিবার বন্দর দিয়ে ১০টি ট্রাকে ৫৪ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। এতে করে গত দুদিনে বন্দর দিয়ে ১৯টি ট্রাকে ১১২ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।
আজও বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত রয়েছে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে ৪ ট্রাক কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।
কাস্টমসের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে কাঁচা মরিচ যেন দ্রুত বন্দর থেকে আমদানিকারকরা ছাড় করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতে পারেন সে ব্যবস্থা নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।