শুরুটা আগের দুই ম্যাচের মতোই। প্রথমেই কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ফেলা। আজও তাই হলো জিম্বাবুয়ের। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে পাওয়ার প্লেতেই নেই স্বাগতিকদের পাঁচ ব্যাটার। অভিষিক্ত এবাদত হোসেনও নিয়েছেন দুই বলে ২ উইকেট।
ইনিংসের শুরুটা হাসান মাহমুদের। তার করা বলটি ভেতরের দিকে ঢুকেছিল। বলটা আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে মিস করে গিয়েছিলেন তাকুদজোয়ানাশে কাইতানো। হয়েছেন এলবিডব্লু। একটু দেরি করেই হাত তুললেন আম্পায়ার। প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মেহেদী হাসান মিরাজ এসেছেন দ্বিতীয় ওভারে। সফলও হলেন। ক্রিজ ছেড়ে তেড়েফুড়ে এসে খেলতে গিয়ে বলের লাইন পুরোপুরি মিস করে গেছেন মারুমানি। অফ স্টাম্প হারিয়েছেন তিনি, ফিরেন ১ রান করেই।
প্রথম ওয়ানডেতেও প্রথম ২ ওভারেই ২ উইকেট হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ৩০৩ রান তাড়ায় সে ম্যাচ অবশ্য তারা জিতেছিল ৫ উইকেটে।
এবাদত হোসেনের বাড়তি বাউন্সে ভড়কে গিয়েছিলেন ওয়েসলি মেধেভেরে। তাঁর ব্যাটের কাঁধে লেগে বল গেল পয়েন্টে। মিরাজ ভুল করেননি। এবাদত ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট পেয়ে গেলেন তাতেই। এরপর এল তাঁর স্যালুট উদ্যাপন। টেস্ট ক্রিকেটে যে দৃশ্য মোটামুটি পরিচিত, এবার সেটা দেখা গেল ওয়ানডেতেও। জিম্বাবুয়ে তৃতীয় উইকেট হারাল ১৮ রানেই।
দ্রুত তিন উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাপে। সেই চাপ সামলাতেই যেন ক্রিজে এলেন সিকান্দার রাজা। কিন্তু সিরিজে জিম্বাবুয়ের নায়ক টিকলেন মাত্র ১ বল! এবাদত করলেন দারুণ ইয়র্কার, যেটির জবাব ছিল না ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের। আগের দুই ম্যাচেই অপরাজিত থেকে ম্যাচ জেতানো রাজা এবার ফিরলেন ‘গোল্ডেন ডাক’ সঙ্গী করে। অভিষেকেই হ্যাটট্রিকের সামনে ছিলেন ইবাদত। হ্যাটট্রিক বলে আবার স্ট্রাইকে ছিলেন আরেক অভিষিক্ত—ক্লাইভ মাদান্দে। যদিও সেটি ছিল নো বল।
তখনও ক্রিজে টিকেছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। প্রথম ম্যাচের এই সেঞ্চুরিয়ানের আজ জন্মদিনও। তাই রাজার বিদায়ে জন্মদিন উপলক্ষ্যের একটা মাধ্যমও এসেছিল। কিন্তু তা পারেননি। তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউ হলেন। ৩১ রানেই ৫ উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের।