আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত ডোমিঙ্গো আর টি-টোয়েন্টি দলের কোচ হিসেবে থাকছেন না বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। পরদিনই নিজ দেশে ফিরে যান ডোমিঙ্গো। যাওয়ার আগে বিসিবি সভাপতির সামনেই করা সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন এ দক্ষিণ আফ্রিকান। কিন্তু দুইদিন না পেরোতেই এলো নতুন খবর, জানা গেলো আর বাংলাদেশে ফিরবেন না ডোমিঙ্গো।
দেশের জাতীয় একটি দৈনিকে টাইগারদের হেড কোচ ডোমিঙ্গো জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিসিবিতে আমার সময় শেষ। আর থাকছি না। হ্যাঁ! সত্যিই বিসিবি ছেড়ে যাচ্ছি।’
রাসেল ডোমিঙ্গোকে টি-টোয়েন্টি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় গত সোমবার। কিন্তু তিনি বিসিবির চাকরিতে আর থাকছেন না বলে জানিয়েছেন। অথচ তার পদত্যাগের বিষয়ে এখনও কিছু জানেই না বিসিবি।
তবে ডোমিঙ্গোর এমন সিদ্ধান্তে ব্যাপারে কিছুই জানে না বিসিবি। এ বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিতের জন্য বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনকে বারবার জিজ্ঞেস করা হয়েছে, রাসেল ডোমিঙ্গো কি আর বাংলাদেশের কোচ থাকছেন না? প্রতিবারই সুজন বলেছেন, ‘না! সে আমাদেরকে কিছুই জানায়নি। এখন পর্যন্ত ডোমিঙ্গো আমাদের হেড কোচ।’
অবশ্য ডোমিঙ্গো চাইলেই যে এক কথায় চাকরি ছেড়ে দিতে পারবেন- তাও নয়। কেননা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিসিবির এই চাকরি ছাড়ার জন্য অন্তত তিন মাস আগে চিঠি দিতে হবে ডোমিঙ্গোকে। তবে দুই পক্ষে রাজি থাকলে যেকোনো সময় চুক্তি বাতিল করা যাবে।
তাই বিসিবির চাওয়া কি সেটিও এখানে বড় বিষয়। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে যা দেখা যাচ্ছে, এখনই বিসিবির সামনে হেড কোচকে বিদায় করে দেওয়া সহজ হবে না। কেননা আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে ডোমিঙ্গোকে কোচ ধরেই। এছাড়া ডোমিঙ্গো এখন চলে গেলে নতুন কোচ পাওয়াও বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হবে বোর্ডের জন্য।
বিসিবির সামনে তবু অন্যরকম পথ খোলা রয়েছে। বর্তমানে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে রয়েছেন জেমি সিডন্স। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন স্টুয়ার্ট ল। তারা দুজনই আগে বাংলাদেশ দলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।