গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নয়ডার ৪০ তলা দুটি ভবন

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরেই ভেঙে ফেলা হবে নয়ডার যমজ অট্টালিকা (টুইন টাওয়ার)। কুতব মিনারের থেকেও উঁচু এই বহুতল ভবন ভাঙা ঘিরে নয়ডায় শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৪০ তলা দুটি টাওয়ার ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। প্রায় দু দশক ধরে স্থানীয়দের সঙ্গে সুপারটেকের আইনি লড়াই চলেছে। শেষ পর্যন্ত এটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

রোববার (২৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে বিস্ফোরক দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলা হবে এই বিশালাকার বহুতল। জানা গেছে, ভবন দুটি ভাঙতে ৩৭০০ কেজি বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে। সময় লাগবে মাত্র ৯ সেকেন্ড সূত্রের খবর।

খবরে বলা হয়, ২০০০ সালের মাঝামাঝি এই টাওয়ার তৈরির কাজ শুরু হয়। নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডা যাওয়ার রাস্তার সংযোগস্থলে এই টাওয়ার গড়ে ওঠে। এখানকার ফ্ল্যাটের দাম ছিল ১ কোটি থেকে ৩ কোটি পর্যন্ত। ১৪টি ৯ তলা টাওয়ার তৈরির কথা ছিল প্রথমে। কিন্তু ২০১২ সালের পরে সব বদলে যায়। ৯ তলার জায়গায় ১১ তলা ১৫টি বিল্ডিং হওয়া শুরু হয়। তারপর শুরু হয় ৪০ তলা দুটি টাওয়ার।

প্রথমে বলা হয়েছিল সবুজ এলাকা থাকবে ফ্ল্যাটের সামনে। আর সেই সবুজ ধ্বংস করেই উঠল গগনচুম্বী টাওয়ার।

এরপর ওখানকার বাসিন্দারা ওই দুই টাওয়ারকে বেআইনি দাবি করে আইনি লড়াই শুরু করেন। এলাহাবাদ হাইকোর্ট ওই টাওয়ার ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় সুপারটেক। সুপ্রিম কোর্ট সেই নির্দেশ বহাল রাখেন। যার ফলে ভাঙতে হচ্ছে ভবন দুটি।