নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে প্রায় শতাধিক নারী-পুুরুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। গতকাল রবিবার উপজেলা কার্যালয়ের জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমের অফিসটি দুপুর পর্যন্ত বন্ধ পাওয়া গেছে। এতে সকাল থেকে অপেক্ষমাণ ভুক্তভোগীরা কোনো প্রকার সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও একই চিত্র।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পক্ষ থেকে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করার দায়িত্ব দেওয়া হয় টেকনিশিয়ান জাহিদুল ইসলামকে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ৮টা থেকে অফিস করার কথা। তাই সকাল থেকেই প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষ জন্মনিবন্ধন সংশোধনের জন্য ইউএনও কার্যালয়ে ভিড় করেন। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত অফিস কক্ষটি বন্ধ পাওয়া যায়। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা ইউএনও ফয়সাল হকের কাছে গেলে তিনি সার্ভারে সমস্যা আছে বলে জানান। ক্ষোভ প্রকাশ করে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের আবুল কালাম বলেন, ‘আমার ছেলে সিয়ানের জন্মনিবন্ধনে বয়স কম দেওয়া হয়েছে। সংশোধন করতে এসে দুই ঘণ্টা ধরে বসে আছি।’
জাঙ্গীর এলাকার সোহান বলেন, ‘জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ৯টা থেকে বসে আছি। সাড়ে ১২টা বাজলেও কেউ আসেনি।’
এছাড়া রুপসী এলাকার সাহিদা বেগম, গুতিয়াবো এলাকার হালিমা বেগম, রূপগঞ্জ গ্রামের সোনিয়া আক্তারও জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদেও তাদের হয়রানি হতে হয়েছে। নানা অজুহাতে অফিস কক্ষ বন্ধ বা সমস্যা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়।
দুপুর ১টার দিকে ইউএনও ফয়সাল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘সার্ভারে কিছু ক্রুটি রয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে।’ অফিস কক্ষ বন্ধ কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব দেওয়া জাহিদুল ইসলামকে ত্রুটিগুলোর সমাধানের জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছে।’