মদনে বিএনপির সঙ্গে আ.লীগ-পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ১৪

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেত্রকোনার মদন উপজেলায় চানগাঁও ইউনিয়নে বিক্ষোভ সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে, ওসি ও দুই পুলিশ সদস্যসহ দুই দলের অনেকে আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে আছেন মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম, কনস্টেবল আজিজুল ও খুরশেদ। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. রুকন, যুবলীগ নেতা বুলবুল, ছাত্রলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম, রুহুল আমিন, আনোয়ার ও সুহান আহত হয়েছেন।

অপরদিকে আহত হয়েছেন ছাত্রদলের অন্তর, যুবদলের রবিউল, আশরাফুল ও নুরুল হক এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের আমিন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও চানগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলম তালুকদার জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মসূচিতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করছিল বিএনপি।

সমাবেশে বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও পুলিশ মিলে অতর্কিতভাবে হামলা করে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর। এতে বিএনপির অনেকে আহত হয়েছে। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার খান একলাছ বলেন, বিএনপির সমাবেশের সন্নিকটে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম ছিল। এখানে তারা (বিএনপি) আসার চেষ্টা করে। প্রথমে পুলিশকে ধাওয়া করে। তা শুনে আমাদের লোকজন সেখানে গেলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে সংঘর্ষে আমাদের পাঁচ-ছয়জন আহত হয়।

তিনি আরও জানান, বিএনপির লোকজন গত কয়েক দিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল ও আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ করছিল। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বিএনপির লোকজন আওয়ামী লীগের কয়েকজনকে এবং আমাকেসহ দুই পুলিশ সদস্যকে মেরে আহত করে চলে গেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।