শুরুতে ভালোই চাপে রেখেছিল তারা। ১৫ ওভার শেষেও যখন ভারতের রান থাকে ১১৪, সেটাও আবার হংকংয়ের মত বিশ্ব ক্রিকেটে পিছিয়ে থাকা দলের সঙ্গে। তখন বলাই যায় রোহিতদের অনেকটাই চেপে ধরেছিল। কিন্তু ভিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার জাদবের ব্যাট শেষ পর্যন্ত থেমে থাকেনি। তান্ডব চালিয়েছিল শেষ পাঁচ ওভারে। এ দুই ব্যাটারের অর্ধশতকে তাই হংকংকে ১৯৩ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে ভারত।
শেষ ৩০ বলে ৭৮ রান তুলেছে ভারত। যার অধিকাংশই এসেছে সূর্যকুমার যাদবের ব্যাট থেকে। প্রথম ম্যাচে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ হংকংকে পেয়ে সূর্যের মতো জ্বলে উঠলেন এই ব্যাটার। তান্ডব চালিয়ে মাত্র ২৬ বলে খেলেন ৬৮ রানের একটি ইনিংস। যাতে ছিল ৬টি চার ও ৬টি ছক্কার মার।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হংকংয়ের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে রানের চাকা খুব বেশি সচল রাখতে পারেননি ভারতীয়রা। শুরুতে হংকং বলে যেভাবে স্কোরবোর্ডকে রান বন্যায় ভাসিয়ে দেওয়ার কথা ছিল ভারতের, তেমনটা হয়নি। তবে হতাশ করেননি সূর্যকুমার যাদব। তার ব্যাটেই শেষ পর্যন্ত ১৯২ রানের সংগ্রহ পায় ভারত।
এদিন ব্যাটে রানের দেখা পেয়েছেন কোহলিও। টানা ৯ ম্যাচ পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পেলেন অর্ধশতকের দেখা। ৪৪ বল খেলে অপরাজিত থাকেন ৫৯ রানে। ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংসটি।
ভারতের ব্যাটিং ইনিংসের শুরু থেকেই ধুকছিলেন লোকেশ রাহুল। সঙ্গে রোহিত শর্মার মত মারকাটারি ব্যাটারদের অনেকটাই প্যাকেট করে ফেলেছে হংকং বোলাররা। লোকেশ রাহুলের মত ব্যাটার ৩৯ বল খেলে করেছেন ৩৬ রান। স্ট্রাইক রেট ৯৩.৩০ করে। ১৩ বল খেলে ২১ রান করে আউট হয়ে যান রোহিত শর্মা।
হংকংয়ের হয়ে আইয়ুশ শুকলা ও মোহাম্মদ গজনাফর একটি করে উইকেট শিকার করেন।