এবাদত হোসেনের শর্ট বলে কাবু লংকান ব্যাটাররা। আগের দুটি উইকেট এসেছিল শর্ট বল থেকেই। এবার দানুসকা গুনাথিলাকাকে ফিরিয়ে তৃতীয় আঘাত হানলেন এবাদত। শিকার করলেন একই ধরণের বলে।
স্লো বাউন্সারে তুলে মারতে গিয়ে টপ এজড হয়েছিলেন গুনাতিলাকা, বল উঠেছিল বেশ ওপরে। ফাইন লেগ থেকে অনেকটা ছুটে এসে, ক্যাচের নিচে নিজেকে প্রস্তুত করে, মুশফিককে থামিয়ে ক্যাচটি নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
তবে তৃতীয় উইকেট শিকারি হতে পারতে শেখ মাহেদী। মুশফিকুর রহিমের হতো দায়মোচন। কিন্তু নো বলের কারণে শেষে আর সেটা হয়নি।
৫ রানে কুশল মেন্ডিসকে জীবন দিয়েছিলেন মুশফিক। এবার আর তাঁর হাতে ক্যাচ দিয়ে বাঁচলেন না তিনি… তখন পর্যন্ত ব্যাপারটি তাই ছিল। তবে আউট হয়ে উঠে যেতে ধরা মেন্ডিস থামলেন আম্পায়ারের কথা শুনে। টেলিভিশন আম্পায়ার তখন দেখছিলেন নো বল। মেহেদী হাসানের পা সূক্ষ্ণ ব্যবধানে ছিল দাগের ওপরে। নো বল হওয়াতে আউট হওয়ার বদলে ২৯ রানে দাঁড়িয়ে আরেকবার জীবন পান মেন্ডিস।
চতুর্থ আঘাতটি অবশ্য এনেছেন তাসকিন আহমেদ। তিনিও এবাদতের মতোই দিলেন শর্ট ডেলিভারি। স্ট্রেইট ড্রাইভ করেছিলেন ভানুকা রাজাপাকশে। কিন্তু থার্ড ম্যানে সীমানর কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা বদলী খেলোয়াড় নাঈম শেখ তা দ্রুত তালুবন্দী করলে ড্রেসিং রুমের পথ ধরতে হয় তাকে।
উইকেট হারালেও রানের চাকা ঠিকই সচল রেখেছে শ্রীলংকা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে চার উইকেট হারিয়ে ৮০ রান সংগ্রহ করেছে শ্রীলংকা। বারবার জীবন পাওয়া কুশল ম্যান্ডিস ৩৯ রানে ও দাসুন শানাক ২ রানে অপরাজিত আছেন।