পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ উইকেটের হারের পর সেরা চারে যেতে না পারা। তাতে সবশেষ বিশ্বকাপের পর ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন ভিরাট কোহলি। একই সময়ে কেড়ে নেওয়া হয় ওয়ানডে দলের নেতৃত্বও। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়ে টেস্ট সিরিজ হারের পর সাদা পোশাকের অধিনায়কত্বও ছেড়ে দেন কোহলি।
ফলে তিন ফরম্যাটেই দায়িত্ব পান রোহিত। অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়া বা হারানোর পর গত ছয় থেকে আট মাস সময়টা খুবই কঠিন ছিল কোহলির জন্য। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এমনকি এশিয়া কাপ শুরুর আগে প্রায় এক মাস ব্যাট ছুঁয়েও দেখেননি তিনি। তার এই দুঃসময়ে পাশে ছিলেন কেবল একজন মানুষ। তিনি ভারতের সাবেক ও অন্যতম সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।
রবিবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পর পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত। দলের হয়ে টানা দ্বিতীয় ফিফটিতে ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন কোহলি। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থার পাশাপাশি নিজের সাম্প্রতিক সময় নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।
টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর ঘটনাক্রম সম্পর্কে কোহলি বলেন, ‘একটি বিষয় আমি বলতে পারি, যখন টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলাম, তখন আমার সাবেক সতীর্থদের মধ্যে শুধুমাত্র একজনের কাছ থেকেই বার্তা পেয়েছি, এমএস ধোনি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেকের কাছেই আমার নম্বর রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই টিভিতে অনেক পরামর্শমূলক কথাবার্তা বলেছে। কিন্তু যাদের কাছে আমার নাম্বার রয়েছে, তাদের কারও কাছ থেকে একটি মেসেজও পাইনি।’
ধোনির সঙ্গে সম্পর্কের রসায়নের বিষয়টি উল্লেখ করে কোহলি বলেন, ‘যখন কারও সঙ্গে সম্পর্কে শ্রদ্ধা থাকে ও সম্পর্ক খাটি হয়, তখন এটি এমন দেখায়। কারণ দুই প্রান্তেই নিশ্চয়তা আছে। আমরা দুজনের কেউই কাউকে নিয়ে সংশয়ে ভুগি না। আমি বলতে চাচ্ছি, যখন কাউকে কিছু বলতে চাচ্ছি, যদি সত্যিই সাহায্য করার ইচ্ছা থাকে তাহলে তাকে ব্যক্তিগতভাবে বলবো। যদি আপনি সারা দুনিয়ার সামনে কোনো পরামর্শ দেন, তাহলে আমার কাছে এটির কোনো মূল্য নেই। সেই কথায় যদি আমার ভালো হওয়ারই থাকে, তাহলে সেটি নিজেদের মধ্যেই বলা সম্ভব।’