বাংলাদেশের নতুন আম্পায়ারদের জন্য আনা হবে বিদেশি কোচ : মিঠু

গ্রুপ থেকেই এশিয়া কাপের মিশন হয়েছে সাকিব আল হাসানদের। প্রত্যাশিত সুপার ফোরে আর তাই খেলা হয়নি টাইগারদের। তবে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ঠিকই থাকছে বাংলাদেশ। আগামীকাল রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে নামছে পাকিস্তান-শ্রীলংকা। সেই ম্যাচে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের মাসুদুর রহমান মুকুল।

বড় মঞ্চে বাংলাদেশি আম্পায়ারদের দেখাই যায় না, মুকুল-সোহেলরা যেন সে আক্ষেপ ঘোচালেন। শরফুদ্দৌলা সৈকত আগেই নিউ জিল্যান্ডে মেয়েদের বিশ্বকাপে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার আরও একজন বড় মঞ্চের আম্পায়ার পেয়েছে বাংলাদেশ। দেশে আরও ভালো মানের আম্পায়ার খুঁজে বের করতে চালু হচ্ছে আম্পায়ারিং কোর্স। ইতোমধ্যে হয়েছে রিফ্রেশার্স কোর্স। জেলা পর্যায়ে এসব কোর্স শুরু হচ্ছে এ মাসেই। এমনকি বিদেশ থেকেও আনা হবে আম্পায়ারদের কোচ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতিখার আহমেদ মিঠু এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দক্ষতা অর্জনের জন্য নানা কোর্স ও প্রশিক্ষণ ইতোমধ্যে হয়েছে। সামনে নতুন আম্পায়ারদের জন্য কোর্স চালু করছি আমরা। এরই মাঝে আম্পায়ারদের নিয়ে চারটা রিফ্রেশার কোর্স করেছি। নতুন আম্পায়ারিংয়ের জন্য ঢাকায় কোর্স চালু করেছিলাম, এগুলো এখন আরও চারটি জেলায় করব সেপ্টেম্বরের মধ্যে। তারপর বাইরে থেকে আম্পায়ার কোচ এনে আমরা প্রশিক্ষণ দেব, যাতে আরও দক্ষতা অর্জন করতে পারে আমাদের আম্পায়াররা। অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আলাপ করছি, তারা কিভাবে করছে আম্পায়ারদের নিয়ে আমরা ঠিক সেভাবে কাজ করার চেষ্টা করব।

স্বীকৃত সেরা আম্পায়ার থাকা স্বত্বেও শরফুদ্দৌলা সৈকতকে এশিয়া কাপে কেন পাঠানো হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সৈকত হচ্ছে আমাদের বেস্ট আম্পায়ার। আমাদের নাম্বার ওয়ান আম্পায়ার সৈকত। সে অলরেডি অ্যাটেনশনে চলে এসেছে। ভবিষ্যতে সৈকতকেও দেখতে পাবে। আমাদেরতো অন্যদেরও তুলতে হবে। একটা আম্পায়ার দিয়ে হবে না। এ জন্যই এবার সোহেল-মুকুলকে পাঠিয়েছি। তারা কি করেছে দেখতেই পেয়েছেন। ভালো পারফর্ম করেছে।’

সৈকতকে এশিয়া কাপে পাঠানো হলে মুকুল নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেতেন না জানিয়ে মিঠু বলেন, ‘সৈকত অলরেডি আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত আম্পায়ার। নারী বিশ্বকাপ করেছে নিউ জিল্যান্ডে। এবার যখন সুযোগ এসেছে এ দুজনকে পাঠিয়েছি। আমাদের চার-পাঁচজন আম্পায়ার আছে প্রথম সারির, তাদের থেকে এ দুজনকে দেওয়া হয়েছে। সৈকতকেও দিতে পারতাম তখন মুকুল নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেত না। সৈকত থাকলে তাকেই দিয়ে দিতো এই দুই ম্যাচ। এখন আমরা বলতে পারবো আমাদের দুটা দক্ষ আম্পায়ার আছে।’