বিভিন্ন সুরা ও আয়াতের ফজিলত
সুরা ফাতেহা : হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘সুরা ফাতেহাকে আল্লাহতায়ালা তার ও বান্দার মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন, বান্দা যখন নামাজে সুরা ফাতেহা পাঠ করে প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ নিজে দেন।
সুরা মুলক : হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সুরা মুলক তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষ অবধি পাঠকারীকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত : হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ ২টি আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য ওই রাতে অপ্রীতিকর জিনিসের মোকাবিলায় ওই দুইটি আয়াতই যথেষ্ট হবে বা তাহাজ্জুদের নামাজ থেকে যথেষ্ট হবে।
আয়াতুল কুরসি : হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, কোরআন মাজিদের সবচেয়ে বড় মর্যাদাপূর্ণ আয়াত আয়াতুল কুরসি। ‘যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত করা হবে এবং সকাল পর্যন্ত তার কাছে শয়তান আসতে পারবে না।’ ‘যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না।
সুরা আল কাহাফ : হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সুরা আল কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্ত করে সে দাজ্জালের ফেৎনা থেকে নিরাপদ থাকবে, শেষ ১০ আয়াতের বিষয়েও উল্লিখিত ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে আরও বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা আল কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ দুই জুমার মাঝে নূর আলোকিত করবেন।
সুরা ইখলাস : হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সুরা ইখলাস কোরআন মাজিদের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য। কুলহুওয়াল্লাহু আহাদের প্রতি ভালোবাসা পাঠককে জান্নাতে প্রবেশ করাবে। হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক এবং সুরা নাস তিনবার করে পড়ল, ওই ব্যক্তিকে যেকোনো (ক্ষতিকর) জিনিস থেকে নিরাপত্তার জন্য এটা যথেষ্ট হবে।
হাফেজ আতাউল্লাহ