জয়ের বিকল্প না ভাবলেও আমিরাতকে দুর্বল ভাবছেন না সোহান

প্রতিপক্ষ দলটা অচেনা না হলেও খুব একটা চেনাও নয়। একবারই তাদেরকে মোকাবেলা করেছিল বাংলাদেশ। সেটাও আবার ৬ বছর আগে। ঘরের মাঠের এশিয়া কাপে সেবার মাশরাফির নেতৃত্বাধীন টাইগাররা ৫১ রানে জয় পেয়েছিল। অতীত পরিসংখ্যান তাই মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে নুরুল হাসান সোহানদের।

তবে সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত রয়েছে দারুণ ছন্দে। বিশেষ করে টেস্ট খেলুড়ে দেশ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ছয় ম্যাচের পাঁচটিই জিতেছে। তাই জয়ের বিকল্প অন্য কিছু না ভাবলেও প্রতিপক্ষকে হালকভাবে নিচ্ছেন না শ্রীধরন শ্রীরামের শিষ্যরা।

দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্ট সিরিজ শুরু হচ্ছে আজ থেকে। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রথম ম্যাচটি। নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন সোহান।

সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে সোহান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষ যে বা যারাই হোক না কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনো দলই ছোট নয়। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের পার্থক্য যে আরও কমে যায় সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন টাইগারদের অধিনায়ক।

তাই মাঠে সতর্ক থাকবেন জানিয়ে সোহান বলেছেন, ‘আমি কোনো দলকে দুর্বল বা ছোট বলতে চাই না। যেহেতু আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে তাই অবশ্যই তারা সামর্থ্যবান। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে যেদিন যারা ভালো খেলছে, ভালো ফল আসছে তাদের পক্ষেই। আমাদের ভালো খেলা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। আমরা প্রক্রিয়াটা ঠিক রেখে ভালো খেলার চেষ্টা করবো।’

সাকিব আল হাসান না থাকায় এমনিতেই নামতে হবে নতুন কম্বিনেশন নিয়ে। তার ওপর উদ্বোধনী জুটি নিয়েও রয়েছে নানান সমস্যা। আমিরাতের বিপক্ষে কাদের নিয়ে সাজানো হবে দল, কারা খেলবেন কোন পজিশনে সেটি খোলাসা করলেন না সোহান। তবে বিশ্বকাপ সামনে রেখেই সব করা হবে জানালেন তিনি।

সোহানের ভাষ্য, ‘মাঠে নামার আগে নির্দিষ্ট করে কারো নাম এখনই নিতে চাচ্ছি না। আমার কাছে মনে হয় সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল যেটা সেটা নিয়েই একাদশ সাজানো হবে। সামনে আমাদের নিউজিল্যান্ডে সিরিজ আছে, পরবর্তীতে বিশ্বকাপ আছে। আমরা একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেটাই ফলো করার চেষ্টা করব।’

এসময় দলের লক্ষ্যের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য, আর সেটা অবশ্যই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া। আন্তর্জাতিকে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের হয়ে প্রতিটা ম্যাচ খেলাই আমার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এটা ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচ সেহেতু আমরা আমাদের শতভাগ গিয়ে ভারসাম্য ঠিক যে দলটা গড়া যায় সেটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি ফোকাস থাকবে ম্যাচ জেতায়।’