ঘরের মাঠে এশিয়া কাপের শিরোপা ধরে রাখতে চান জ্যোতি

হারমানপ্রিত কউরের করা ইনিংসের শেষ বলটিতে প্রয়োজন ছিল দুই রানের। জাহানারা আলম রানটা নিয়েই দিলেন ভোঁ দৌড়। ড্রেসিং রুম থেকে ছুটে এলেন সতীর্থরাও। কুয়ালালামপুরে নারী ক্রিকেটারদের হাত ধরে দেশের ক্রিকেটের প্রথম এশিয়া জয় হয়েছিল ২০১৮ সালে। এশিয়া কাপের সবশেষ আসরের সেই সাফল্য ধরে রাখার মিশনেই এবার ঘরের মাঠে নামবেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।

আরব আমিরাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সফল অভিযান শেষে আজ (মঙ্গলবার) সকালে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সকাল ৯টা নাগাদ রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রেখেছেন নারী দলের ক্রিকেটাররা।

দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন জ্যোতি। যেখানে স্বাভাবিকভাবেই এসেছে এশিয়া কাপের প্রসঙ্গ। মাত্র তিনদিন পরই সিলেটে শুরু হতে চলেছে এশিয়া কাপের অষ্টম আসর। যেখানে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই খেলতে নামবে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার সকালে তিনি বলেছেন, ‘শিরোপা ধরে রাখতে ১১০ পারসেন্ট আশাবাদী কারণ নিজের মাটিতে খেলা এবং দল ভালো শেপে আছে। তাই অবশ্যই চাইব ঘরের মাঠে যেন ঘরের শিরোপা থাকে।’

নারী ক্রিকেট দলের বাছাইয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল জিতেছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। খেলাধুলায় নারীদের এ সাফল্য এশিয়া কাপেও অনুপ্রাণিত করবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে। তবে এক্ষেত্রে নিজেদের চ্যাম্পিয়নশিপ থেকেই অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন জ্যোতি।

তার ভাষ্য, ‘অনুপ্রেরণা... আমি আমাদের দিক থেকে চিন্তা করছি কারণ আমরা কিন্তু ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। আমাদের দলে অনেকেই আছে যারা গত এশিয়া কাপ খেলেছে। তাই তারা সবাই অভিজ্ঞ। ঘরের মাঠে যেহেতু খেলা নিজেদেরকে এগিয়ে রাখাই উচিত।’

জ্যোতি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমরা ভালো একটা প্রস্তুতি পেয়েছি। চ্যাম্পিয়নশিপের মতো বড় অনুপ্রেরণা কিন্তু কিছু হতে পারে না আমার মতে। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় যে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হলো আমরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করে এসেছি। যেটা হচ্ছে পুরো দলকে উজ্জীবিত করছে।’

এসময় বাছাই জিতে আসায় প্রস্তুতি দারুণ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বলবো যে এটি আমাদের জন্য সেরা প্রস্তুতি ছিল। কারণ ম্যাচ প্র্যাকটিসের চেয়ে ভালো কোনো প্রস্তুতি হতে পারে না। যেহেতু আমরা এই ফরম্যাটেই খেলে এসেছি, তাই এশিয়া কাপে এটি আমাদের অনেক বেশি সাহায্য করবে।’