রঙিন পোশাকের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে এখনও যারা খেলছেন, জাহানারা আলম তাদের মধ্যে অন্যতম। ২০১২ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অভিষেক হয়েছিল তার। সেই থেকে তিনি দলের নিয়মিত মুখ। হয়ে উঠেছিলেন টাইগ্রেসদের অটো চয়েজ। তবে সাম্প্রতিককালে তার পারফরম্যান্সে ভাটা পড়েছিল। নিজেকেই যেন খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। তাতে এশিয়া কাপের একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়।
টানা তিন ম্যাচ পর শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফিরেছিলেন জাহানারা আলম। সহজ ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পর দলের হয়ে এসেছিলেন সংবাদ সম্মেলনেও। সেখানে হার নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি বললেন নিজের ক্যারিয়ার নিয়েও। জানালেন উত্থান-পতন থাকলেই একজন পেশাদার ক্রিকেটার হতে পারে। তিনি এখন নিজেকে সেটাই মনে করছেন।
একাদশ থেকে বাদ পড়া ও দলের ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে জাহানারা বলেন, ‘যে কোনো ক্রিকেটারেরই উত্থান-পতন থাকে। আমার হয়েছে। যেহেতু একটা ক্রিকেটার একবারে উঠতে পারে না, উত্থান-পতন থাকলেই সে একজন পেশাদার ক্রিকেটার। আমি এখন মনে করি আমি পেশাদার ক্রিকেটার। উথান-পতন থাকবে। যখনি সুযোগ পাবো, যখনি টিমের আমার প্রয়োজন হবে আমি চেষ্টা করবো সেরাটা দিয়ে অবদান রাখার জন্য।’
জাহানারার একাদশে ফিরেছেন যেদিন, সেদিন বাংলাদেশ শ্রীলংকার কাছে বৃষ্টি আইনে তিন রানে হেরে গিয়েছে। সেমিফাইনালের সমীকরণটা একটু কঠিন হলে গেল কি না জানতে চাইলে জাহানারার উত্তর, ‘প্রথমত আমি আমি আমার স্ট্যাট চেক করি না। আমি নিজেও জানি না আমার কত উইকেট হয়েছে। একটু ভালো লাগা থাকলেও খারাপ লাগাটা বেশি। কারণ হোম গ্রাউন্ডে খেলা, ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আমরা। যদি কোনো কারণে সেমিফাইনালে মিস করি আমাদের দলের থেকে মনে হয় না অন্য কারো খারাপ লাগাটা কাজ করবে।’
এই হারটা হতাশার বলেই মনে করেন টাইগ্রেসদের মিডিয়াম পেসার, ‘এটা সহজ লক্ষ্য ছিল আমাদের ব্যাটারদের জন্য। আমরা যে পর্যায়ে পৌঁছেছি সেখান থেকে হারটা সত্যিই হতাশার ছিল। আমাদের লক্ষ্য ছিল বলে বলে রান নিব, সিঙ্গেল মিস করব না। আমরা খুব ক্লোজ নিব খেলাটা। তারপর হিট করব। কারণ তখন টার্গেট বেশি থাকবে না। আমরা যদি সিঙ্গেলগুলি নিতে থাকবে তাহলে সহজ হয়ে যেত।’