২০০৬ সালে অভিষেকের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন সাকিব আল হাসান। এই লম্বা সময়ে ক্রিকেট ঐতিহ্যের অংশ অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি তার। খেলা হয়নি টেস্টেও। ২০১৫-তে দেশটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ না হলে অস্ট্রেলিয়ায় এক দিনের ম্যাচ না খেলার আক্ষেপও হয়তো থাকত সাকিবের। শুধু সাকিব নন, বাংলাদেশের এই দলটির কারোরই অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা নেই। বিশ্বকাপের সূত্র ধরেই ওয়ানডের পর এবার অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে গেছেন সাকিবরা। এই রোমাঞ্চের কথা জানিয়ে গতকাল অধিনায়কদের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বললেন, ‘১৫ বছর ধরে খেলছি আর এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি খেলব। আমার তো মনে হয় বেশ রোমাঞ্চকর একটা দল নিয়েই আমরা বিশ্বকাপ খেলতে এসেছি। আমরা সবাই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি খেলতে যাচ্ছি, এমনকি আমিও। এটা নতুন একটা অভিজ্ঞতা হবে।’
অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ খেলতে উদগ্রীব সাকিব নিজেদের প্রস্তুতিতে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। সব ম্যাচ হারলেও নিউজিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিক্ষা বিশ্বকাপে কাজে লাগাতে চান সাকিব, ‘আমরা ক্রাইস্টচার্চ থেকে এসেছি, সেখানে আমরা ভালো দুটি দলের বিপক্ষে চারটি ম্যাচ খেলেছি। আমরা জানি অস্ট্রেলিয়াতে ভালো করতে হলে আমাদের কী করতে হবে, আমার মনে হয় আমাদের প্রস্তুতি ভালোই হয়েছে।’
সাকিব অস্ট্রেলিয়ায় একেবারেই যে খেলেননি তা নয়। দেশটির টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশে দুই দলের হয়ে মোট ৬ ম্যাচ খেলেছেন। অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সে ২০১৩-১৪ মৌসুমে প্রথম ম্যাচে ৮ বলে ২ রান ও ১ ওভারে ১০ রান দেন। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩০ বলে ৪৬ ও ৪ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নেন। রেনেগেডসের হয়ে ২০১৪-১৫ মৌসুমে ৪ ম্যাচ খেলেন। প্রথম ম্যাচে ১৬ বলে ২২, দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ বলে ২, তৃতীয়টিতে ৫ বলে ১ ও শেষ ম্যাচে ১২ বলে ১৪ রান করেন। আর বল হাতে যথাক্রমে ৪-০-২৮-০, ৪-০-১৩-৪, ৪-০-২৩-১ ও ৪-০-৩৩-২ ফিগার গড়েন।