ওয়েস্ট ইন্ডিজ ততক্ষণে রানের খাতায় ২০ যোগ করে নিয়েছে। তৃতীয় ওভারে জোশ ডেভির দুই ও দিন নম্বর বলে চার ও ছক্কা হাঁকালেন কাইল মেয়ার্স। তৃতীয় বলেও ডিপ মিড-উইকেট দিয়ে সীমানা ছাড়া করতে চেয়েছিলেন। তবে হাওয়ায় ভাসতে থাকা বল বোঝাই যাচ্ছিল সীমানা অতিক্রমের আগেই মাটিতে গড়িয়ে পড়বে। তবে ক্যাচ ধরাটা সহজ ছিল না। দৌড়ে গিয়ে মাটিতে পিছলে পড়ে সেটা তালুবন্দী করে নেন জর্জ মুন্সে। পাওয়ার প্লেতেই প্রথম উইকেটের দেখা পায় স্কটিশরা।
লড়াকু পুঁজির পথে ব্যাট হাতে জর্জ মুন্সে অবদান রেখেছেন অর্ধশতক করে। ফিল্ডিংয়ে নেমেও জারি রেখেছেন সেই আগ্রাসী লড়াই। তার লড়াইয়ের প্রভাব পড়েছে দলের বাকি সতীর্থদের মাঝেও।
তবে ক্রিজে থাকা ব্রেন্ডন কিংস ও এভিন লুইস ভালোই জবাব দিচ্ছেন। রান তুলছে স্কটিশদের মতোই সমানতালে। প্রথম পাঁচ ওভার শেষে স্কটল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৪৭ রান। ছিল না কোনো উইকেট। তবে উইকেট একটি হারালেও ক্যারিবিয়ানরাও তুলেছে সমান ৪৭ রান।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ক্যারিবিয়ানরা যোগ করেছে ৫৩ রান। হারিয়েছে দুটি উইকেট। ষষ্ঠ ওভারে ব্রাড হুইলের করা পঞ্চম বলটি ছিল গুড লেংথের। সেটি সুইপ করেছিলেন এভিন লুইস। কিন্তু উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ডিপ স্কয়ার লেগে দাঁড়িয়ে থাকা মাইকেল জোন্স তা লুফে নিলে ১৩ বলে ১৪ রানেই থামতে হয় তাকে। ইনিংসটি সাজানো ছিল ১ চার ও ১ ছক্কায়।