দুমকিতে ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে এসে যুবক খুন

পটুয়াখালীর দুমকিতে ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রতিপক্ষের হামলায় মামুন (৩২) নামের এক যুবক খুন হয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পাংগাশিয়া গ্রামে এ হামলা ঘটে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত অবস্থায় মামুন মারা যান।

পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে খালেক হাওলাদার, মতলেব হাওলাদার গংদের সাথে একই এলাকার সোবাহান হাওলাদার হাওলাদারের ছেলে বশার হাওলাদার গংদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।

ঘটনার দিন বিকেলে বশার হাওলাদারের শ্যালক মামুন গাজী (৩২) ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধে জড়ান।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ খালেক হাওলাদারের ছেলে রনি (২০) ও মতলেব হাওলাদারের ছেলে রাহাত (২৫) অতর্কিতে মামুনকে একা পেয়ে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেন।

আহতের ডাকচিৎকারে স্বজনরা ছুটে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে (মামুন) উদ্ধার করে দ্রুত বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় বশারের বাবা সোবাহান হাওলাদার বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দুমকি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত অবস্থায় মামুন মারা যায়। মোবাইল ফোনে মামুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে থানা পুলিশ শুক্রবার রাতেই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে খালেক হাওলাদার, রনি, রাহাত, সাবানু বেগমকে আটক করে। নিহত মামুন গাজীর গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার শিয়ালি গ্রামে। তার বাবার নাম আবদুল মতলেব গাজী বলে জানা যায়।

দুমকি থানার ওসি মো. আবদুস সালাম আসামি গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন আছে। ঢাকা মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের লাশ গ্রামের বাড়িতে আনার অপেক্ষায় আছে।