বেশি দামে চিনি বিক্রি করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মুন্সীগঞ্জে সাত ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গতকাল শনিবার দুপুরের দিকে পৃথক অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনন্দ বাজারে দুপুর পর্যন্ত অভিযানে চার ব্যবসায়ীকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, খোলাবাজারে চিনির সরকারনির্ধারিত মূল্য ৯০ টাকা।
অথচ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভোক্তাদের কাছে প্রতি কেজি চিনি ১০৫-১১০ টাকা দরে বিক্রয় করছিলেন। অভিযানে চিনির দাম বেশি রাখায় চার ব্যবসায়ীকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে রিপন স্টোরকে চার হাজার টাকা, মিনা বাজার স্টোরকে তিন হাজার টাকা, মেসার্স নূরতাজ স্টোরকে দুই হাজার টাকা ও মেসার্স মথুর পাল স্টোরকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসময় তাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে গতকাল দুপুরে মুন্সীগঞ্জ শহরে অভিযানে ৩ ব্যবসায়ীকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ।
এসময় এক কেজির চিনির প্যাকেটে ৯৫ টাকা মূল্য ঘষে সেখানে ১১০ টাকা লিখে বিক্রি করায় বাজারের মেসার্স হাসমত আলী স্টোরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া গোপাল স্টোরকে এক কেজি ওজনের চিনির প্যাকেটে ১০৫ টাকা দাম লিখে বিক্রি করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং কেজিপ্রতি ২ টাকা বেশি দামে চিনি বিক্রি করায় সুমন স্টোরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জামাল উদ্দিন মোল্লা।
সদর থানা পুলিশের টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।