সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সিলেটের কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়ালকে

মন্থর ও নিচু বাউন্সের উইকেট দেখে হতবাক হয়েছিল নারী এশিয়া কাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল। ফলে টি-টোয়েন্টিতে রান পায়নি কোনো দল। সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন ভারত ও পাকিস্তান দলের ক্রিকেটাররা। এমনকি আয়োজক দেশ বাংলাদেশ দলের কোচও উইকেটের কঠোর সমালোচনা করেন। এমন ঘটনার পর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়াল বিদায় নিচ্ছেন বাংলাদেশ থেকে।

সিলেট স্টেডিয়ামের উইকেটকে বলা হতো ব্যাটিং স্বর্গরাজ্য। যার অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছিল নেদারল্যান্ডস। সেটা ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৪ রান তাড়া করে ডাচরা জিতেছিল মাত্র ১৩.২ ওভারেই। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৬ রানের ইনিংসটি সিলেটের উইকেটেই করেছিলেন লিটন। অথচ সেই উইকেটের বিপরীত আচরণ দেখা গেছে সদ্য সমাপ্ত নারী এশিয়া কাপে।

টি-টোয়েন্টিতে মন্থর ও নিচু বাউন্সের উইকেট থাকায় দেখা মেলেনি পর্যাপ্ত রানের। এমন উইকেট দেখে হতবাক হয়েছিলেন বিদেশী দলের খেলোয়াড়রাও। আর তাতে চটে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন নারী দলের কোচ এ কে এম মাহমুদ ইমনও। স্থানীয় ক্রিকেটেও এমন উইকেট দেখেননি বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। জেরেই সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়াল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘কিছুদিন আগেই তার চুক্তি নবায়ন করা হয়েছিল। কিন্তু এশিয়া কাপে উইকেটের এমন অদ্ভুত আচরণ অবাক করেছে সবাইকে। তার কাজে তাই সন্তুষ্ট হতে পারেনি বোর্ড। তাই হয়তো বোর্ড তাকে পদত্যাগ করতে বলেছে।’  

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জীব আগারওয়ালের কাজ নিয়ে ক্রিকেট বোর্ড সন্তুষ্ট নয়। আপাতত বাবার অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়ে ভারতে গেছেন তিনি। তবে বিসিবি আর তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নয় বলে জানা গেছে। তার বদলে আপাতত দেশীয় কোনো কিউরেটরকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।