বাংলাদেশের সোনালি আঁশ- পাট দিয়ে পোশাক তৈরিতে অসামান্য অবদানের জন্য এ বছরই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার চমন চৌধুরী। নেপাল থেকে ‘আইকনিক অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ দেওয়া হয় তাকে। এই পুরস্কার পেয়ে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেছিলেন, পাট নিয়ে আরও নতুন ধরনের কাজ করতে চান। যাতে দেশের ঐতিহ্যটা টিকিয়ে রাখতে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন। সে কথা রেখেছেন এই ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা। সম্প্রতি গুলশানে হয়ে গেল তার বসন্তকালীন পোশাকের প্রদর্শনী। তাতে দেখা গেল, তিনি আগে পাট নিয়ে যে ধরনের কাজ করতেন, এবার তারচেয়ে আরও নতুন চার ধরনের পাটের পোশাক নিয়ে হাজির হয়েছেন। চমন বলেন, ‘পোশাকে পাটের ব্যাবহারে কতো বৈচিত্রতা দেওয়া যায় সেই চেষ্টাই করেছি। এবার জুটকে ডাই করে অন্য রঙে রূপান্তর করে পোশাক ডিজাইন করেছি। শুরুতে তো একেবারে পাটের বস্তা দিয়ে কাজ করতাম। এখন সেই পাটকেই একেবারে আরামদায়ক ফেব্রিকের মতো করে ব্যবহারের দিকে নিয়ে যেতে পারছি, এটাই ভালোলাগার। এজন্য আমাকে প্রচুর গবেষনা ও পরিশ্রম করতে হচ্ছে।’
চমনের বসন্ত কালেকশনে পাটের পাশাপাশি রয়েছে জামদানি, মসলিন, কটন ও মনিপুরী শাড়ি, ব্লাউজ, জ্যাকেট। চমন বলেন, ‘এমনভাবে ডিজাইন করি যাতে দেশের পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতারাও আগ্রহ নিয়ে কেনে। এজন্য দেশিয় আর ওয়েস্টার্ন কাটিং প্যাটার্নের ফিউশন করে ডিজাইন করি।’
এবারের পদর্শনীর সাড়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘দুই দিনের বসন্ত কালেকশনের প্রদর্শনীতে আগের চেয়ে পাটের পণ্যেও অনেক নতুন ক্রেতা পেয়েছি। এটা সবচেয়ে আনন্দ দিয়েছে। শোবিজের অনেক তারকারা আগ্রহ নিয়ে এসেছেন। বিদেশি ক্রেতাদের উপস্থিতি দেখে অবাক হয়েছি।’