ইরানে মুসলিমদের একটি মাজারে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১৫ জনকে হত্যা করেছে বলে দাবি করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
পুলিশ হেফাজতে এক তরুণীর মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভের মধ্যে বুধবার এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দেশটিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
তেহরান এই হামলার জবাব দেবে বলে সতর্ক করেছে। খবর রয়টার্সের।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা এক বন্দুকধারীকে গ্রেপ্তার করেছে যে শিরাজের শাহ চেরাগ মাজারে হামলা চালিয়েছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এ হামলার জন্য ‘তাকফিরি সন্ত্রাসীদের’ দায়ী করেছে। ইসলামিক স্টেটের মতো সুন্নি জঙ্গিদের বোঝাতে তেহরান এ আখ্যা ব্যবহার করে।
গোষ্ঠীটি এর আগেও ইরানে চালানো বিভিন্ন হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এর মধ্যে ২০১৭ সালে দেশটির পার্লামেন্ট এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহল্লাহ খোমেনির মাজারে চালনো প্রাণঘাতী হামলা অন্যতম।
বুধবার ছিল কুর্দি তরুণী আমিনির মৃত্যুর ৪০তম দিন। আমিনির মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে ওঠা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে এদিনও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে।
ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমদ ভাহিদি বিক্ষোভকারীদের দায় দিয়ে বলেছেন, তাদের কারণেই জঙ্গিরা শিরাজে হামলার সুযোগ পেয়েছে।