পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

এ কে আব্দুল মোমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছে উচ্চ আদালত। গত রবিবার এ বিষয়ের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার এক আদেশে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুল আলম। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালত এই বলে  আবেদনটি খারিজ করেছে যে, রিট পিটিশনে জনস্বার্থের কোনো বিষয় পরিলক্ষিত হয়নি। আবেদনের কোনো সারবত্তা নেই।’

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের জে এম সেন হলে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা অনুরোধ করেছি।’ তার এ বক্তব্য নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনসহ নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী মো. এরশাদ হোসাইন রাশেদ গত ২১ আগস্ট ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে তাকে আইনি নোটিস পাঠান। এরপর এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন হয়। আবেদনকারীর আইনজীবী বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্য সংবিধান পরিপন্থী। এতে মন্ত্রী হিসেবে তার শপথ ভঙ্গ হয়েছে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।