রপ্তানি ট্রফি পেল ৭১ প্রতিষ্ঠান

রপ্তানির মাধ্যমে উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় করণীয় ঠিক করতে দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করব।’ গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এবার ৭১ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৯টি স্বর্ণ, ২৪টি রৌপ্য, ১৮টি ব্রোঞ্জ ট্রফি এবং সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি দেওয়া হয়।

টিপু মুনশি বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০২৬ সালে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জনের পর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। গত বছর আমরা ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে, এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে। দেশের অর্থনৈতিক মুক্তিতে নতুন প্রজন্ম কাজ করছে। দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন। বক্তব্য দেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।

হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ বলেন, ‘আমাদের যে টোটাল গ্যাস আছে তার ৪২ শতাংশ যাচ্ছে পাওয়ার প্ল্যান্টে। এ ছাড়া মেশিনারিজে ১৮ শতাংশ, ক্যাপ্টিভ জেনারেশনে ১৭ শতাংশ, গৃহস্থালির রান্নায় ১৩ শতাংশ আর সিএনজিতে ব্যবহার হচ্ছে ৪ শতাংশ গ্যাস।’

এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমদানি এখন যে সীমিত আছে, এই সুযোগে আমাদের দেশীয় শিল্প দাঁড়িয়ে যেতে পারে।’

শিল্পে দ্রুত গ্যাসের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে যদি কোনো মূল্য অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে হয়, আমরা সেটা করতে রাজি আছি।’