বর্তমান নির্বাচন কমিশনাররা মেরুদণ্ডহীন তৃতীয় লিঙ্গের: কাদের সিদ্দিকী

‌‘নির্বাচন কমিশনার আবু হেনা মেরুদণ্ডওয়ালা নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। আর বর্তমান যারা নির্বাচন কমিশনার হয় তারা তারা পুরুষও না নারীও না, তারা মেরুদণ্ডহীন তৃতীয় লিঙ্গের’ বলে মন্তব্য করছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুরে ডাকবাংলো চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব বলেন। 

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর যে ভোট চুরি হয়েছিল তারচেয়ে বেশি ভোট চুরি হয়েছে ২০১৮ সালে। এখন আর আমি ‘৯৯ সালের ভোট চুরির কথা বলতে চাই না। 

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ সম্বোধন করে আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানোর কথা বলেন, বের করলেন কেন? আবার কারাগারে পাঠাবেন কেন? রতনগঞ্জের সান্দারের মুখের ভাষাও আপনার মুখের ভাষার চেয়ে ভালো। আপনার মুখের ভাষা ভালো করেন’। 

তিনি বন বিভাগকে হুশিয়ারি করে আরও বলেন, ‘সখীপুরে যার যতটুকু জায়গা আছে, তারা সে জায়গা ভোগ করবেন। এক ইঞ্চি জমির মধ্যে যদি বন বিভাগ মাতব্বরি করতে যায় তাহলে আমাকে খবর দেবেন। ফরেস্ট ভাইদের বলছি আপনারা এখান থেকে চলে যান। না গেলে কীভাবে তাড়াতে হয়, তা আমাদের ভালো করে জানা আছে’। 

তিনি বলেন, ’৬০ সালে যে ইলিশ আমি ১ টাকায় কিনছি, তা এখন ২ হাজার টাকা। আমি ১ টাকা কেজি মাংস কিনতাম, এখন ৭ শ টাকা কেজি’। 

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের উপজেলা আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খানের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ ইকবাল সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামীম আল মনসুর (আজাদ সিদ্দিকী), টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, সাধারণ সম্পাদক  এটিএম সালেক হিটলু, দুলাল মাস্টার, আলমগীর সিদ্দিকী, আশিক জাহাঙ্গীর, আবু জাহিদ রিপন। 

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ১৫ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৮ জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনে সরকারকর্তৃ ‘ভোট ডাকাতি’র অভিযোগে প্রতি বছর এ দিবস পালন করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।